স্তন বড় করার উপায়

সব নারীই চায় তার ব্রেস্ট (Breast) বা স্তন সুন্দর ও সুগ‌ঠিত হোক। সুগ‌ঠিত স্তন নারীদের ব‌ডি‌ ফিট‌নে‌সের সৌন্দর্য‌ বৃ‌দ্ধি ক‌রে। সঠিক সাই‌জের সুডৌল স্তনের জুড়ি নেই। তাছাড়া বড় ব্রেস্ট মেয়েদের যৌন আকর্ষণীয় করে তোলে।
 
মেয়েদের ব্রেস্ট তৈরি হয় গ্ল্যান্ড ও চর্বিজাতীয় টিস্যু থেকে। স্ত‌নের সাইজ- ওজন, জেনেটিক্স, হরমনাল সমস্যা প্রভৃ‌তির উপর নির্ভর ক‌রে। স্ত‌নের আকার ও আকৃ‌তি অ‌নেকটাই বংশপরম্পরায় চ‌লে আ‌সে। কখ‌নো আবার দৈ‌হিক গঠ‌নের উপর নির্ভর ক‌রে। ত‌বে শারী‌রিক প‌রিবর্ত‌নের সা‌থে সা‌থে স্ত‌নেরও প‌রিবর্তন ঘ‌টে। কোন মে‌য়ের বু‌কের স্তন বড়, কারও ছোট আবার কারও মাঝা‌রি আকা‌রের হ‌য়ে থা‌কে। স্তন ছোট বা বড়; যেটাই হোক না কেন, তা প্রকৃ‌তিগত। আর প্রাকৃ‌তিকভা‌বে পাওয়া স্ত‌নের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য অ‌দ্বিতীয়। কিন্তু অ‌নেক সময় অস‌চেতনতা, অযত্ন-অব‌হেলা ও দূর্ঘটনা বা শারী‌রিক সমস্যার কার‌ণে স্ত‌নের অস্বাভা‌বিক গঠন লক্ষ করা যায়। তখন তা অপছন্দনীয় ম‌নে হ‌তে পা‌রে। আবার কেউবা স্বভাবতই ছোট স্ত‌নের চাই‌তে বড় স্তন বে‌শি

জরায়ুমুখ ক্যানসার পরীক্ষার ক্ষেত্রে কী করা হয়?

জরায়ুমুখের ক্যানসার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভায়া টেস্ট পরীক্ষা করা হয়। একটি পরীক্ষা বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে হয়ে থাকে আজকাল—সেটি হলো ভায়া টেস্ট।
নারীদের বলা হয় ৩০ বছর পার হলে তারা ভায়া পরীক্ষা করতে চলে আসবে। ভায়া যদি নেগেটিভ থাকে তাহলে আবার তিন বছর পর এই পরীক্ষা করাবে। জরায়ুর ক্যানসার তো আসলে একদিনে হয় না। সেটা তৈরি হতে ১০ বছর সময় লাগে। যদি কোনো পরিবর্তন হয়, তাহলে ভায়া পরীক্ষায় যদি পজিটিভ আসে, তাহলে চিকিৎসা করাতে হবে। 

একজন সুস্থ মানুষ অবশ্যই তার জরায়ু পরীক্ষা করাবে। ভীষণভাবে সাদাস্রাবের জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকবে না। সাদাস্রাবের চিকিৎসায় যখন সমস্যা হবে সে গেল, এমন কিন্তু নয়। বলা হয় বিয়ের পাঁচ বছর পর থেকে সে ভায়া পরীক্ষা করবে। তবে যদি সাদাস্রাব আলাদা থাকে, এর চিকিৎসা সে নেবে। সুস্থ থাকার জন্য স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া খুবই প্রয়োজন। আমরা সবসময় বলব জরায়ুমুখ পরীক্ষা করাতে। তবে এর সঙ্গে সাদাস্রাবের সম্পর্ক থাকবে বিষয়টি সেটি নয়।

বে‌শি সময় নি‌য়ে সেক্স করার টিপস

‌সফল সেক্স হ‌চ্ছে বিবা‌হিত দম্প‌তি‌দের সু‌খ ও স্থায়ী‌ত্বের অন্যতম চা‌বিকা‌ঠি। ত‌বে সফল সেক্স খুব অল্প‌জনের কপা‌লেই জো‌টে। সেক্স সম্প‌র্কে অজ্ঞতা ও অস‌চেতনতার দরুন বহু যুবক যৌন তৃ‌প্তি থে‌কে ব‌ঞ্চিত। আমা‌দের দে‌শের আবহাওয়া ও মানু‌ষের শারী‌রিক গঠন অনুযায়ী সে‌ক্সের গড় সময় ৩ থে‌কে ৫ মি‌নিট। আর সফল ও পূর্ণ সেক্স সুখ পে‌তে, স্থায়ী‌ত্বের এই সময়টুকুই আদর্শ।
সফল ও পূর্ণ সেক্স সুখ পে‌তে সবাই চায়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ সেক্স কর‌লেই যে প্রকৃত যৌন সুখ বা তৃ‌প্তি আস‌বে তা ভাবা অবান্তর। অবশ্য যারা বি‌ভিন্ন কার‌ণে সে‌ক্সের সময় দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় ভুগ‌ছেন, তা‌দের ব্যাপার‌টি ভিন্ন। অধিকাংশ ছে‌লেরাই দীর্ঘক্ষণ সেক্স করা তো দুরের কথা; তার স্ত্রীকে আনন্দ দিতে যে সময়টুকু প্রয়োজন, সে সময়টুকুও তারা  দিতে পারে না।
স্ত্রীর যো‌নি‌তে লিঙ্গ দি‌তেই বীর্য কু‌পোকাত, অতৃপ্ত যন্ত্রণা নি‌য়ে পাশ ফি‌রে শু‌য়ে পড়া। এমন সেক্স অতৃ‌প্তি নিয়ে যারা মানসিকভাবে দুর্বলতায়

নারীর যৌনতায় যন্ত্রণাবোধের কারণ

সম্প্রতি এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, প্রতি ১০ জনে একজন নারী যৌনতার সময় আনন্দ নয় বরং যন্ত্রণা বোধ করে। এ গবেষণায় সাত হাজার ব্রিটিশ নারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
গবেষণাতে জানা গেছে, ১৬ থেকে ৭৪ বছর বয়সী নারীদের মাঝে যৌনতার সময় যন্ত্রণা অনুভব করেন এমন নারীর সংখ্যা সাড়ে সাত শতাংশ। আর তাদের এ পরিসংখ্যান গত তিন মাসের।
এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে একটি ব্রিটিশ জার্নালে, যার নাম অবস্টেরিকস অ্যান্ড গায়নেকোলজি।
এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর এর কারণ নির্ণয় করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে তারা জানিয়েছেন যে বয়সের নারীদের মাঝে এ ধরনের যন্ত্রণা বেশি দেখা যায় তাদের বয়স ৫৫ থেকে ৬৪ কিংবা

ফর্সা নারীদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি

স্তন ক্যানসার (Breast Cancer) আধু‌নিক যু‌গের দূরা‌রোগ্য ব্যা‌ধি‌তে প‌রিণত হ‌য়ে‌ছে। কিন্তু স‌চেতনতা ও প্রাথ‌মিক পর্যা‌য়ের চি‌কিৎসায় দ্রুত এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। স্তন ক্যানসারের হার দিনের পর দিন ক্রমাগত বেড়েই চলেছে৷ আর এই রোগে বেশিরভাগ আক্রান্ত হচ্ছেন মহিলারা৷ এই রোগ নিয়েই চলছে একের পর এক গবেষণা, আর উঠে আসছে বিভিন্ন ফলাফল৷ নতুন এক গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে, ফর্সা নারীদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখা যায়৷ তবে স্তন ক্যানসারের ক্ষেত্রে নারীর জীবনযাপন, খাবারের অভ্যেস ও কতগুলি সন্তান আছে আর উপর নির্ভর করে৷

সেক্স পাওয়ার বাড়া‌নোর জাদুকরী সরবত!

বর্তমান সমাজে সেক্স সমস্যা প্রকট আকার ধারণ ক‌রে‌ছে। ত‌বে এই প্রকটতার জন্য দায়ী হ‌চ্ছে অস‌চেতনতা, ভয় ও ভুল ধারণা পোষণ আর সস্তা দ‌রের সেক্স আ‌র্টি‌কেল নির্ভরতা। নিত্য দিনের নানা প্রাকৃতিক কাজের মতো সেক্স স্বাভাবিক হলেও, সাধারণভাবে সেক্স নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। প্রকৃ‌তি প্রদত্ত নি‌র্ভেজাল যৌন মিলন দুই মি‌নি‌টেও প্রশা‌ন্তি দেয়। অথচ অ‌ন্যের প্র‌রোচনায় প‌ড়ে বা পাশ্চা‌ত্যের সেক্স ভি‌ডিওর অনুকর‌নে এখন পাঁচ আর দশ কোনটা‌তেই মন ভ‌রে না। ‌কেউ বা আবার সামান্য সমস্যা‌কে ভে‌বে ভে‌বে বড় সমস্যার রূপ দেয়। আবার কেউ কেউ বদঅভ্যা‌সে গা ভা‌সি‌য়ে যৌন শ‌ক্তি নষ্ট ক‌রে। ফলশ্র‌ুতি‌তে যৌন মিল‌নের পূর্ণতার সময় নিরুপায় হ‌য়ে অশা‌ন্তি নি‌য়েই সেক্স কর্ম শেষ কর‌তে হ‌য়।
আজকাল প্রকাশ্যে যৌনতা নি‌য়ে কথা বলতে বাধলেও, যৌন সমস্যায় বা যৌন শ‌ক্তি বাড়াতে অনেকেই গোপ‌নে ভায়াগ্রা জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন। অনেকে আবার এর ক্ষ‌তিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা ভেবে এ কাজ থেকে

মাসে কয়বার সেক্স করা উ‌চিত

আমা‌দের সমা‌জে আজও যৌনতা বিষয়ক আ‌লোচনা‌কে নে‌তিবাচক হি‌সে‌বে দেখা হয়। অথচ এই যৌনতা বা বিবা‌হিত দম্প‌তি‌দের ‌যৌন ক্রিয়ায় স‌চেতনতার জন্য অ‌নেক বিষয় জানার থা‌কে। যা স্বামী-স্ত্রীর মা‌ঝে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও সংসা‌রের সু‌খের খোরাক যো‌গাতে সহায়তা করে।

মাসে কয়বার সেক্স কর‌লে দম্প‌তিরা সন্তুষ্ট থা‌কে?
সম্প্র‌তি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। "সদ্য বিবাহিত দম্পতিদের বিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে ও সংসারে সুখ-শান্তি অব্যহত রাখতে কী করা উচিত" বিষ‌য়ক এই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে; প্র‌ত্যেক দম্প‌তি‌দের, বি‌শেষ ক‌রে স্ত্রীকে খুশি রাখতে মাসে অন্তত ১১বার সেক্স

‌যৌনশক্তি বাড়া‌তে সূর্যা‌লোক; গ‌বেষণা...

এখন থে‌কে সেক্স পাওয়ার বাড়াতে আর দামি-দামি ওষুধ সেবন করতে হবে না৷ রোদ পোহালেই বাড়বে পুরুষের যৌনশক্তি৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ 

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌন অক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি; জে‌নে নেয়া যাক কিভা‌বে।
অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷

ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান