প্রকৃত যৌন উত্তেজনা কি ? জে‌নে নিন !

যৌন উ‌ত্তেজনা সবারই আ‌ছে। হয়‌তো কারও কম আবার কারও বেশি। ত‌বে উ‌ত্তেজনা সম্প‌র্কে সবার জানা থাক‌লেও; খাঁটি উ‌ত্তেজনা সম্প‌র্কে আমরা কয়জন জা‌নি।
যৌন জীব‌নে প‌রিপূর্ণভা‌বে সফল হ‌তে খাঁ‌টি বা প্রকৃত উ‌ত্তেজনার বিকল্প নাই। প্রকৃত উত্তেজনা নর নারীর দৈ‌হিক মিলন‌কে যেমন প্রশা‌ন্তি‌তে ভ‌রে দেয়, তেমনি মান‌সিকভা‌বেও প‌রিণত ক‌রে।

কখনও য‌দি কোন নর অথবা নারীকে স্বপ্ন বা স্মৃতিতে আনা ছাড়াও হৃদয়ের অভ্যন্তর থে‌কে প্রচন্ড উত্তেজনার সৃ‌ষ্টি হয়, তখন তাকে বলা হয় প্রকৃত উত্তেজনা।

আ‌গে মানুষ প্রকৃতির উপর নির্ভর করে নিজের নির্ভূল মানসিক অবস্থা নিরূপণ করতে পার‌তো। কিন্তু বর্তমান কৃ‌ত্রিমতার যু‌গে তা প্রায় অসম্ভব।
কারণ প‌থে-ঘা‌টে, হাটে-বাজারে, স্কুল-ক‌লে‌জে অর্থাৎ এমন কোন জায়গা নেই যেখা‌নে নর-নারীর বি‌ভিন্ন উ‌ত্তেজনাকর দৃশ্য চো‌খে প‌ড়ে না। পেপার-প‌ত্রিকা, বই-পত্র, টি‌ভি ইত্যাদি‌তে উ‌ত্তেজনাকর বিজ্ঞাপন ছাড়া পণ্যই বি‌ক্রি হয় না। আর ইন্টার‌নে‌টের ব‌দৌল‌তে তা আরও বে‌শি ছ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়ে‌ছে। নর-নারীর দেহ আর যৌবনের উ‌ত্তেজনাকর দৃশ্য দে‌খে আমা‌দের সহজ ম‌নে যে উ‌ত্তেজনার সৃ‌ষ্টি হয়; তাই স‌ঠিক যৌন উ‌ত্তেজনা ব‌লে আমরা প্র‌তি‌নিয়তই ভুল ক‌রি। আর কৃ‌ত্রিম এসব উ‌ত্তেজনার প্রভা‌বে আজকাল প্রকৃত উত্তেজনা বোঝা খুবই ক‌ঠিন হ‌য়ে দাঁ‌ড়ি‌য়ে‌ছে।

উপ‌রের আ‌লোচনা থে‌কে বোঝা গে‌লো যে, আমা‌দের মা‌ঝে সাধারন যে উ‌ত্তেজনা দেখা যায় তা কৃ‌ত্রিম বা আ‌বেগী উ‌ত্তেজনা; এটা কখনই প্রকৃত উ‌ত্তেজনার স্বীকৃ‌তি পা‌বে না। কারণ, যখন আপন চিত্তবৃত্তির টা‌নে নর বা নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং মনকে কিছুতেই সংযত করা সম্ভব হয় না, তখনই প্রকৃত উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তাকেই প্রকৃত উত্তেজনা বলে।

প্র‌ত্যে‌কেরই জে‌নে রাখা উ‌চিত যে, প্রকৃত উত্তেজনা ছাড়া সহবাস করা উচিত নয়। আবার প্রকৃত উত্তেজনা জাগ্রত হ‌লে তা আটকি‌য়ে রাখাও ঠিক নয়। তাতে শারী‌রিক ও মানসিক ক্ষতির পাশাপা‌শি; দাম্পত্য জীব‌নেও নে‌মে আস‌তে পা‌রে ভয়ানক দু‌র্যোগ।

@ প্রকৃত উত্তেজনার সময় ছাড়া সেক্স বা মৈথুন করলে তা সেক্স বা মৈথুন হতে পারে না... প্রকৃত উত্তেজনা, সে‌ক্সের প্রকৃত উত্তেজনা, সহবা‌সের প্রকৃত উত্তেজনা, স‌ঠিক যৌন উ‌ত্তেজনা,

মুসলমান‌দের সা‌থে অমুসলিম ছে‌লে মে‌য়ে‌দের বিয়ে প্রস‌ঙ্গে কিছু কথা

ইসলাম প‌রিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থার সম‌ষ্টি। এই জীবন ব্যবস্থা প‌রিচা‌লিত হয় কুরআন ও হাদীসের বি‌ধি বিধান দ্বারা। অন্যান্য সব বিষ‌য়ের ম‌তো ছে‌লে মে‌য়ে‌দের বিবা‌হেরও কিছু নিয়ম কানুন আ‌ছে। কিভা‌বে বি‌য়ে কর‌তে হয়, কা‌দের সা‌থে বি‌য়ে বৈধ, কি করা যা‌বে আর কি করা যা‌বে না এসব বিষ‌য়ে সু‌নি‌র্দিষ্ট বি‌ধি বিধান মে‌নেই বি‌য়ের পি‌ড়ি‌তে বস‌তে হয়।

ইসলাম চায় বৈবাহিক সম্পর্ক সুদৃঢ় ও স্থায়ী হোক। বিবাহ পরবর্তী

কনডম নি‌য়ে প্রচ‌লিত ক‌য়েক‌টি ভুল ধারণা

সেক্সে একটা কনডমই কি যথেষ্ট, নাকি দু’টো হলে সুরক্ষা জোরদার হয়? নির্দিষ্ট সঙ্গীর সঙ্গে সে‌ক্সে কনডমের আদৌ কি প্রয়োজন আছে, নাকি সঙ্গী বদলের ক্ষেত্রেই তা দরকার পড়ে? কনডম কি এক্সাপায়ার করে, নাকি কনডম কেনার জন্য প্রাপ্তবয়স্ক হতে হয়? কনডম নিয়ে এমন হাজারো জিজ্ঞাসা ঘোরে ফেরে; কিন্তু সঠিক উত্তর অনেকের কাছেই থাকে না৷ যৌনতা ব্যাপারটাকে গোপন করতে গিয়ে যৌনতা সম্পর্কিত সবকিছুই গোপন রাখা হয়৷ তাই গোপন করায় ভুল ধারণা বাড়া ছাড়া আর কিছুই হয় না৷

ভুল ধারণার বশবর্তী না হয়ে কনডম সম্পর্কে নি‌ম্নের প্রশ্নগুলির উত্তর অবশ্যই জেনে রাখবেনঃ

** ব‌ড়ি বা পিল খেলে কনডমের দরকার আছে কি?

* অবশ্যই আছে৷ কনডম শুধু অবাঞ্চিত প্রেগনেন্সিই আটকায় না, যৌন রোগও প্রতিরোধ করে৷ যদি সঙ্গী বা সঙ্গীনির কোনও যৌন রোগ না থাকার ব্যাপারে ১০০% নিশ্চিত থাকা যায়, তবে কনডম ব্যবহার না করলেও চলে৷ সঙ্গীনির গর্ভনিরোধক পিল খাওয়া বা না-খাওয়ার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই৷

** কনডম সে‌ক্সের সুখানুভূতি কি কমায় ?

* এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা৷ কোনও কোনও কনডম এমনভাবে তৈরি যা অরগ্যাজম প্রলম্বিত করে৷ ফ‌লে দীর্ঘক্ষণ সে‌ক্সের সময় পাওয়া যায়। সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, কনডম পরা ও না-পরায় অনুভূতির কোনও হেরফের হয় না৷

** বাড়তি সুরক্ষায় কি দু’টি কনডম প্র‌য়োজন হয়?

এর কোনও মানে নেই৷ একটা কনডমেই যতখনি সুরক্ষা প্রয়োজন ততখানিই মেলে৷ তাই বাড়তি সুরক্ষা নিতে গিয়ে হিতে বিপরীত না করাই ভা‌লো। কারণ একটি কনড‌মেই স‌র্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

** দ্বিতীয়বার সে‌ক্সের ক্ষেত্রে কি কনডমের প্রয়োজন আ‌ছে ?

* অনেকের ধারণা, পরপর দু’বার সে‌ক্সের ক্ষেত্রে প্রথমবার কনডম থাকলেই হল৷ দ্বিতীয়বার তার আর কোনও প্রয়োজন নেই৷ এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বরং দ্বিতীয়বারই যৌনরোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি৷ প্রেগন্যান্সির সম্ভাবনা তো একই থাকে৷

** সেক্স শুরু ক‌রে কনডম পরে নেয়া কি য‌থেষ্ট ?

* না যথেষ্ট নয়৷ কেননা সে‌ক্সের মাঝামাঝি বা সেক্স শুরুর পর বীর্য নির্গত না হলেও প্রি-সেমিনাল ফ্লুইড নির্গত হয়৷ যা সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়৷ প্রেগন্যা‌ন্সির ভয়‌তো আ‌ছেই।

** নির্দিষ্ট নারীর ক্ষেত্রে কনডমের প্রয়োজন নেই?

অনেকেই মনে করেন, যারা একাধিক সঙ্গী ব্যবহার করেন তাঁদের ক্ষেত্রেই কনডম প্রয়োজন৷ এ ধারণা ভিত্তিহীন৷ কেননা এক সঙ্গীর সঙ্গে সে‌ক্সেও যৌন রোগের সম্ভাবনা থাকতে পারে৷ মানুষ ভাল বা মন্দের সঙ্গে রোগ ছড়ানোর কোনও সম্পর্ক কিন্তু নেই৷ তাই সুরক্ষা এক সঙ্গীর ক্ষেত্রেও যে মাত্রায় নেওয়া দরকার, একাধিক সঙ্গী বলেও তাই-ই৷

** কনডমের এক্সপায়ারি ডেট আছে কি?

* কনডম কেনার পূ‌র্বে অবশ্যই তার এক্সপায়া‌রি ডেট দে‌খে নেয়া উ‌চিত। যে কোনও কোম্পানির কনডমের প্যাকেটেই এই তারিখ লেখা থাকে। একটু খেয়াল করে দেখলেই হয়।

** কনডম কিন‌তে কি প্রাপ্তবয়স্ক হ‌তে হয়?

* কনডম কেনার কোন বয়স নেই। কনডম কেনার জন্য প্রাপ্তবয়স্ক হতে হয় না৷ যে কোনও বয়সেই তা কেনা যায়৷

অ‌তিরিক্ত লজ্জা ও গোপনীয়তার খাতিরে ভুল ধারণা জ‌ন্মে। যার ফ‌লে যৌন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন অনেকেই৷ তাই সংস্কার কাটিয়ে উ‌পরোক্ত ব্যাপারগুলো বুঝে নেওয়া জরুরি৷

@ Condom Tips . কনড‌মের স‌ঠিক ব্যবহার । কন‌ডোম ব্যবহার, কন্ডম লাগা‌নো, SexuallyTransmitted Infection, কন্ডোম সম্পর্কে ভুল ধারণা কাটিয়ে ফেলুন! ক‌ন্ডোম ব্যবহার,

স‌ঠিক রোগ নির্ণ‌য়ে স‌ঠিক চি‌কিৎসা

আপ‌নি জা‌নেন কি ?

সঠিক রোগ নির্নয়; সঠিক চিকিৎসার পূর্বশর্ত।

জ‌টিল রো‌গের চ্যা‌লে‌ঞ্জিং সমাধান, কথায় নয় কা‌জেই প্রমাণ ।।
ওষুধ য‌দি হয় নি‌র্ভেজাল, চি‌কিৎসক য‌দি হয় অ‌ভিজ্ঞ তাহ‌লেই পা‌বেন পূর্ণ আ‌রোগ্য ।।।

অসফল সেক্স কি? সেক্স অসফলের ১০টি কারণ জেনে রাখুন

অ-সফল সেক্স কি? বা আমরা সাধারণ যে সেক্স করি তা কতটা সফলকাম ! বা অ-সফল সে‌ক্সের কারণ কি কি ?

উপ‌রের প্র‌শ্নের উত্তর জানার অা‌গে সফল সেক্স কি ? তা জানা গুরুত্বপূর্ণ। সেক্স বা যৌন মিলন দম্পতির অপরিহার্য বিষয়। তেমনি অপরিহার্য বিষয় হচ্ছে যৌন মিলনে সফলতা বা পরিপূর্ণ তৃপ্তি।

সফল সে‌ক্সের পরিচয়

সেক্স বা যৌন মিলনে সফলতার ফলে যৌন জীবনটাই সফলতায় পরিপূর্ণ হয়ে

স‌হবা‌সের সময় স্বামী ও স্ত্রীর করণীয় বা কর্তব্য

বিবাহ বন্ধ‌নে আবদ্ধ হবার পর স্বামী ও স্ত্রী যৌন তৃষ্ণা মিটা‌নোর বৈধ সা‌র্টি‌ফি‌কেট পে‌য়ে যায়। দাম্পত্য জীব‌নে পা রে‌খে ছে‌লে মে‌য়ে দুজ‌নেই নতুন অ‌ভিজ্ঞতা লাভ ক‌রে। বি‌শেষ ক‌রে যৌন জীব‌নের ক্ষে‌ত্রে এটা আরও বে‌শি প্রভাব সৃ‌ষ্টি ক‌রে।

যৌনাকাঙ্খা পূর‌ণের অ‌ভিলা‌সে স্বামী একাই সব কর‌বে আর স্ত্রী বিছানায় দেহ লে‌লি‌য়ে পড়ে থাক‌বে ! এমনটা কোন অবস্থা‌তেই কাম্য নয়। আবার স্ত্রীও শুধুমাত্র ভোগের বস্তু নয়; তারও স্বাদ-আহ্লাদ, চাওয়া-পাওয়া, সু‌বিধা-অসু‌বিধার বিষয় থা‌কে। আর স্বামী‌কেই এসব পূরণ ক‌রে দি‌তে হয়। এসব পূরণ করা স্ত্রীর প্র‌তি স্বামীর অবশ্য

স‌ঙ্গিনী‌কে সন্তুষ্ট রাখ‌তে সহজ ক‌য়েক‌টি কাজ

আপনার স‌ঙ্গিনী‌কে আরও কা‌ছে চা‌চ্ছেন ? কোন কার‌নে কি সে অসন্তুষ্ট ? তার মন পে‌তে চান? ত‌বে সামান্য ক‌য়েক‌টি কাজ ক‌রে ফেলুন! দেখুন আপনার স‌ঙ্গিনীর মা‌ঝে প‌রিবর্তন। ফুল ও গয়না মেয়েদের ‘অলটাইম ফেভরিট’! ত‌বে এগু‌লো ছাড়াও কিন্তু পুরুষদের কিছু কাজে মে‌য়েরা সবথেকে বেশি সন্তুষ্ট হন, আজ এই প্রতিবেদনে সেই কথাই জানানো হ‌চ্ছে-

. ব্রেকফাস্ট বানিয়ে খাওয়ান :
সপ্তাহের যে কোনও একটি কাজের দিন সকালে সময় বের করে স্ত্রীর জন্য ব্রেকফাস্ট বানিয়ে দেখুন, তিনি খুশিতে উদ্বেল হয়ে উঠবেন৷

২. পার্টনারের ‘টু ডু লিস্ট’ বানান :
আপনার স্ত্রীর সামনে একগাদা কাজ! কোনটা আগে করবেন, কোন কাজটা পরে করবেন- তিনি গুলিয়ে ফেলেছেন৷ এই পরিস্থিতিতে হাল ধরুন৷ চটপট তাঁকে একটি ‘টু ডু লিস্ট’ বানিয়ে দিন মোবাইলে৷ কোনটা আগে করতে হবে, কোন কাজটা কদিন পরে করলেও চলবে- বুঝতে সাহায্য করুন আপনার পার্টনারকে৷

৩. ছোটখাটো কাজে পার্টনারকে সাহায্য করুন :
বাড়ির জানালার পর্দাটা অনেকদিন ধরে নোংরা হয়ে পড়ে রয়েছে- পার্টনারকে না জানিয়ে একদিন আপনিই কেচে পরিষ্কার করে ফের জানালায় টাঙিয়ে দিন৷ আপনার স্ত্রী অফিস থেকে ফিরে এসে দেখে চমকে যাবেন, খুশিও হবেন৷ এরকম কয়েকটি ছোটখাটো কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করে দেখুন, তিনি আপনার কাজে ইমপ্রেস হবেন৷

৪. পার্টনারের কাজে উৎসাহ দিন :
ছোট হোক বা বড়, পার্টনারের কাজে উৎসাহ দিন৷ কর্মজগতে অভিজ্ঞতা অর্জনে তাঁকে সাহায্য করুন৷

৫. ভয়েস মেসেজ পাঠান :
দিনভর ব্যস্ততার মধ্যে ফোন করতে না পারলেও পার্টনারকে একটা ছোট্ট ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে দিন৷ হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারে পাঠাতে আপনার কোনও বাড়তি পয়সাও খরচ হবে না৷

৬. প্লে-লিস্ট :
পার্টনারের মোবাইলে-আইপডে দুর্দান্ত গানে ঠাসা একটি প্লে-লিস্ট বানিয়ে দিন৷ এর ফলে আপনার পার্টনার যখন কোথাও যেতে যেতে গান শুনবেন, আপনার কথা তাঁর মনে পড়বেই৷

৭. ফোনকে দূরে সরান :
কোথাও একসঙ্গে খেতে গেলে বা বেড়াতে গেলে মোবাইল ফোনটিকে আপনাদের দু’জনের মধ্যে আনবেন না৷ এটা যথেষ্ট বিরক্তিকর৷

৮. সাজিয়ে তুলুন স্নানঘরকে :
বাড়ির স্নানঘরটিকে একদিন সাজিয়ে তুলুন| ব্যবহার করুন মোমবাতি, সুগন্ধী৷ এতে আপনার পার্টনার দারুন খুশি হবেন৷

৯. ছু‌টির দিন‌টি স‌ঙ্গিনীর জন্য রাখুন :
গোটা সপ্তাহ কাজের পর ছুটির দিনটিকে আপনার স্ত্রীর কাছে ‘স্পেশ্যাল’ করে তুলুন৷ তাঁকে নিয়ে লং ড্রাইভে বেড়াতে যান, নইলে সিনেমা দেখে আসুন!

@ লাইফ পাটনার, পাটনার‌কে ‘ইমপ্রেস’ করুন, সন্তুষ্ট হবেন, আপনার পার্টনার, #Appreciated, স্ত্রী, সহজ কাজ, #Partner, #প্রে‌মিকা । Small Gestures, স‌ঙ্গিনী,

মানসম্পন্ন যৌনজীবন যেভা‌বে গ‌ড়ে ওঠে

২০১৬ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, দাম্পত্য জীবনের প্রথম এক বছর যৌনতায় থাকে উপচে পড়া রোমাঞ্চ। পরে ক্রমেই তা স্থিত হতে থাকে। এ গবেষণাপত্রটি 'আর্কাইভস অব সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার'-এর।
দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে জড়িয়ে রয়েছেন যারা, তারাই জানেন যৌনতা কতটুকু উপভোগ্য হয়। ত‌বে প্রথম দিকে এ বিষয়টি দারুণ উত্তেজনাকর থাকলেও ক্রমেই তার অধঃপতন ঘটে।

যাই ঘটুন না কেন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে যুক্তরা সেক্স বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন। তারা জীবনের বহু সময় যৌনতার নানা রূপ ও বৈশিষ্ট্য দেখেছেন। তাদের কাছ থেকে নেওয়া যেতে পারে বেশ কিছু টিপস। এগুলো দিয়েছেন 'ওম্যান অন ফায়ার: ৯ এলিমেন্টস টু ওয়ে আপ ইওর ইরোটিক এনার্জি, পারসোনাল পাওয়ার, অ্যান্ড সেক্সুয়াল ইন্টেলিজেন্স' বইয়ের লেখক ও বিশেষজ্ঞ অ্যামি জো গডার্ড।

১. সময় সম্পর্ককে গভীর করে :
এক সময় সারাক্ষণ হাতে হাত না রাখতে পারলে ভালো লাগে না। কিন্তু এ অবস্থা ক্রমেই ফ্যাকাশে হয়ে যায়। তার মানে এই নয় যে, সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আসলে নতুন এক স্তরে প্রবেশ করছেন। সত্যিকার ভালোবাসায় আবদ্ধ দম্পতিরা আরো গভীরভাবে একে অপরকে  উপলব্ধি করতে থাকেন। গডার্ডের মতে, সময়ের সঙ্গে তারা আরো বেশি অন্তরঙ্গতায় জড়িত পড়তে থাকেন। সম্পর্কে যোগ হয় আরো বেশি আবেগ।

২. আন্তরিক ও সহজাত সেক্সই গুণগতমানসম্পন্ন সেক্স :
দুজন একসঙ্গে বহুদিন থাকলে একে অপরের খুঁটিনাটি অভ্যাস বা অদ্ভুত আচরণ সম্পর্কে সজাগ থাকেন। সেই সঙ্গে যৌনজীবনের নানা বৈচিত্র্য অভিজ্ঞতায় যোগ হয়। অনেক নেতিবাচক অবস্থার পরও দুজন যৌন আকাঙ্ক্ষা অনুভব করেন। কিন্তু আত্মবিশ্বাস হারালে চলবে না। সম্পর্কের শুরুর দিকে শঙ্কা কাজ করে। কিন্তু ক্রমেই তা স্বাভাবিক হয়ে আসে। আন্তরিক ও শঙ্কাবিহীন যৌনতাই সবচেয়ে উপভোগ্য।

৩. কল্পনাগুলো শেয়ার করুন :
যার সঙ্গে অনেক দিনের দাম্পত্য সম্পর্ক বিরাজ করছে, সেখানে কেবলমাত্র নেতিবাচক অবস্থা সৃষ্টি হয়। তবে এখানে নতুন কিছুরও যোগ ঘটতে পারে। যখন এ বিষয়ে কল্পনা বা অবাস্তবিক ইচ্ছা ভর করে, তখন একে অপরের কাছে সৎ থাকাই ভালো। এগুলো আসলে শেয়ারিংয়ের জন্যে। অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের জন্যে নয়। দুজনই মনে মনে বিশেষ কোনো চিন্তা নিয়ে উত্তেজিত থাকতে পারেন। এ কথা অপরের সঙ্গে শেয়ার করুন।

৪. চর্চাতেই দক্ষতা আসে :
সেক্স এমন এক কাজ যাতে দক্ষতা আসা প্রয়োজন। এর জন্যে চর্চার বিকল্প নেই। যৌনতার নানা বিষয় জানতে ও বুঝতে সময়ের প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে জড়িতরাই একে পুরোপুরি বুঝতে পারেন। নতুনদের কাছে তার অনেক রহস্যই উন্মোচিত হয় না। ধীরে ধীরে তা হতে থাকে। চর্চা চলতে থাকে, বাড়ে দক্ষতা।

৫. মনের কথা বিনিময় করুন :
দুজনের আন্তঃযোগাযোগের কোনো বিকল্প নেই। কেবলমাত্র আলোচনার অভাবে যৌনজীবনটা ভেস্তে যেতে পারে। গডার্ডের বহু দিনের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে যে, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে জড়িতদের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ সৃষ্টি হয়। এ কারণে তাদের যৌনজীবনটাও বহু আলোচনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়। ফলে তা দিনে দিনে আরো পরিপক্ক হয়ে ওঠে। তারা একে অপরের বিষয়ে আরো বেশি সচেতন হয়ে ওঠেন।

৬. মানসমম্পন্ন সেক্স বেডরুমকেও ছাড়িয়ে যায় :
গডার্ডের মতে, গুণগত মানসম্পন্ন সেক্স কেবল বেডরুমেই সীমাবদ্ধ থাকে না। তার মানে এই নয় যে, যেখানে সেখানে সেক্স করতে বলা হচ্ছে। আসলে এটা মানসিক বিষয়। গভীর যৌন প্রাণশক্তির মাধ্যমে এটি উপভোগ্য হয়। এ ক্ষেত্রে মানুষ আরো বেশি শক্তিমান হয়ে ওঠে। তারা আরো বেশি যৌন আকাঙ্ক্ষা অনুভব করেন। তারা আরো বেশি উৎসাহী হয়ে ওঠেন। এটাই মানসম্পন্ন সেক্স।

৭. নতুন কিছু শেখার আগ্রহ থাকতে হবে :
নতুনদের ক্ষেত্রে এটি নতুন একটি কাজ। যেখান মিশে রয়েছে আশঙ্কা, উত্তেজনা, রোমাঞ্চ ইত্যাদি। এসব অনুভূতির তুলনা নেই। গোটা জীবনই সেক্স জীবনের সঙ্গে মিশে থাকবে। কাজেই এ নিয়ে বিস্তারিত জানতে হবে। নতুন জিজ্ঞাসা নিয়ে অস্বস্তি থাকলে চলবে না। এটা কেবল গতানুগতিক ধারণা নয়। এটি চিরসহস্যময় এক জিনিস। একে উন্মোচিত করতে থাকুন। মনে জিজ্ঞাসা রাখুন এবং জানার চেষ্টা করুন।

@ যেভাবে সেক্স #মানসম্পন্ন সেক্স । দম্পতিদের মিলন #যৌনজীবন । ভা‌লো সেক্স, টিকসই মিলন বা সেক্স