স্তন বড় ও সুন্দর করার উপায়

নারী‌দেহ সৃ‌ষ্টিকর্তার বি‌শেষ য‌ত্নের ফসল। নারীর অবয়বে মায়ার মোহর স্থাপন করা। ত‌বে নারী‌দে‌হের বি‌শেষ কিছু স্থান বা ‌যৌনাঙ্গ র‌য়ে‌ছে যা খুবই গোপনীয়। নারী‌দের স্পর্শকাতর জায়গাগু‌লোর ম‌ধ্যে স্তন ও যো‌নি বি‌শেষভা‌বে আকর্ষণীয়। কিন্তু যৌনি সবসময় ব্যবহার করা না গে‌লেও স্তন বা ব্রেস্ট এ‌ক্ষে‌ত্রে বি‌শেষভা‌বে এ‌গি‌য়ে। তাছাড়া নারীর আকর্ষণীয় ব‌ডি ফিট‌নেস অ‌নেকটাই স‌ু‌ঢৌল স্তনের উপর নির্ভর ক‌রে।

নারীর‌দেহ একমাত্র স্বামী ছাড়া অন্য কারও সা‌থে ব্যবহার কর‌া নি‌ষিদ্ধ। তাই নারীরা চায় তার স্বামী‌কে আকর্ষণ কর‌তে আর পুরুষরা চায় স্ত্রী যেন তার কা‌ছে আকর্ষণীয় হ‌য়ে থা‌কে। নারীর স্তন যুগল ও যো‌নি সুগ‌ঠিত থাক‌লে যেমন নারীর সৌন্দর্য বৃ‌দ্ধি পায়; তেম‌নি স্বামীর কা‌ছেও সেই নারী হয় অ‌নেক বে‌শি আদরনীয়। অ‌নেক নারীর স্তন ‌(Breast) বি‌ভিন্ন

ক্যাজুয়াল সেক্স যে কার‌ণে অসুখী করে

যৌনতা নারী ও পুরুষকে পরস্পরের কাছাকাছি নেওয়ার জন্য। কিন্তু দম্পতিদের মাঝে যৌনতা বিপরীত কাজও করতে পারে। কিন্তু কেন?

সবার ক্ষেত্রে যৌনতা পরস্পরকে কাছাকাছি নেয় না। এক্ষেত্রে সমস্যাটি নির্ণয় করতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। এ বিষয়ে গবেষকরা বলেন একটি স্বাভাবিক প্রবণতার কথা, যা নারী ও পুরুষকে পরস্পরের দূরে সরিয়ে দেয়।

যে বিষয়টি দূরত্ব তৈরি করে
যৌনতার পর সাধারণত নারীরা চায় পুরুষের আরও কাছাকাছি থাকতে এবং কিছুক্ষণে আবেগগত

স্তন ক্যানসা‌রের কারণ, লক্ষণ ও চি‌কিৎসা

স্তন ক্যানসার কেন হয়, লক্ষণগুলো কেমন? স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা কীভাবে হয়?
স্তন ক্যানসার নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন থাকেন। তবে স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রাথমিক পর্যায়ে করতে পারলে ফলাফল অনেক ভালো আসে। এনটিভির নিয়মিত আয়োজন ‘স্বাস্থ্য প্রতিদিন’ অনুষ্ঠানের ২৫৪৩তম পর্বে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। বর্তমানে তিনি জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের ক্যানসার এপিডেমিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন।

স্তন ক্যানসারের কারণ ও লক্ষণ
স্তন ক্যানসারের বিভিন্ন কারণ রয়েছে। কিছু নিয়ন্ত্রণযোগ্য, কিছু নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয়। তবে লক্ষণ বুঝে দ্রুত চিকিৎসা করতে পারলে এর ফল ভালো

হস্তমৈথুন করা বন্ধ করবেন যেভা‌বে

হস্ত‌মৈথুন বা স‌মেহন যা হ্যা‌ন্ডে‌লিং না‌মেই বর্তমান প্রজ‌ন্মের মা‌ঝে বে‌শি প‌রি‌চিত। এই হস্ত‌মৈথু‌ন নি‌য়ে ‌প্রেস‌ক্রিপশন চি‌কিৎসা এবং বিজ্ঞা‌নে এমন‌কি ধর্মীয়ভা‌বেও নানান মত প্রচ‌লিত। এটা করা যা‌বে কি করা যা‌বে না; তা নি‌য়ে ম‌তের অভাব নেই। ত‌বে এ কথা সত্য যে, আজ পর্যন্ত হস্ত‌মৈথু‌নের ক্ষ‌তিকর দি‌কের কথাই বে‌শি জানা ও শোনা গে‌ছে কিন্তু এর কোন ভা‌লো দিক আ‌ছে ব‌লে প্রমা‌ণিত নয়। তাই বলা যায় যে, হস্ত‌মৈথুন একটা চরম বদঅভ্যাস। এ‌টি পুরুষ‌দের পুরুষত্বহীনতার প‌থে ঠে‌লে দেয়। নর-নারীর দাম্পত্য ও যৌন জীবন‌কে অসুখী ক‌রে তো‌লে। 

প‌শ্চিমা সংস্কৃ‌তির আগ্রাস‌নে ডাক্তার থে‌কে শুরু ক‌রে ধর্মের দোহাই দি‌য়েও হস্ত‌মৈথু‌নের প‌ক্ষে সাফাই গাওয়া হ‌চ্ছে। যা একদম ভিত্তিহীন ও অবান্তর। ‌কিন্তু প্রকৃতপ‌ক্ষে কোন ধর্মই মান‌ব জা‌তির ক্ষ‌তি চায় না। হস্ত‌মৈথু‌নে এক‌দি‌কে বী‌র্যের অপচয় হ‌চ্ছে অপর দি‌কে অ‌বিবা‌হিত জীব‌নেই যৌনতার সুপ্ত বাসনা‌কে অ‌বৈধভা‌বে জা‌গি‌য়ে তোলার ব্যবস্থা করা ও যৌন জীবন‌কে ধ্বং‌সের দি‌কে নি‌য়ে যাওয়ার চিরস্থায়ী ব‌ন্দোবস্ত করা হ‌চ্ছে। ডাক্তাররা তা‌দের ডাক্তারী ব্যবসা‌কে

নর-নারীর যৌনতায় শৃঙ্গার কেন জরুরী

যৌনমিলনে পুরুষের সা‌থে যাতে নারীও প‌রিপূর্ণ সঙ্গম তৃপ্তি ও সুখ উপভোগ করতে পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখা পুরুষের একান্ত কর্তব্য। তেম‌নি নারী‌দেরও উ‌চিত তার সঙ্গীর সা‌থে যৌনক‌র্মে সর্বাত্বক সহায়তা করা। নারীমন যেমন পুরুষ‌দের থে‌কে মিল‌নের পাশাপা‌শি যৌন‌ক্রিয়া বা শৃঙ্গার আশা ক‌রে; তেম‌নি পুরুষরাও চায় তার নারী সঙ্গী‌নির মন মাতা‌নো শৃঙ্গার। 

যৌন মিলন বা সে‌ক্সের পূ‌র্বেই ছে‌লে‌দের উ‌চিত মে‌য়ে‌দের শরী‌রে বি‌ভিন্নভা‌বে প‌রিপূর্ণ যৌন উ‌ত্তেজনা জাগ্রত করা। এর ফ‌লে মিল‌ন এবং কা‌জেক‌র্মে আস‌বে পূর্ণ তৃ‌প্তি ও প্রশা‌ন্তি। নারীর দে‌হে সহজে যৌন উত্তেজনা আসেনা। এর কারণ, নারীর যৌন অঙ্গ ছাড়াও কামকেন্দ্র শরীরের নানা অঞ্চলে বিস্তৃত। যেমন- ঠোঁট, গাল, মুখ, স্তন, স্তনের বোঁটা, নিতম্ব, ভগাঙ্কুর ও

নারীর যৌবন ও দীর্ঘায়ু নি‌য়ে এক‌টি প্র‌তি‌বেদন

যেসব মেয়েদের দেরিতে শারীরিক পরিপক্কতা আসে অর্থাৎ যারা দেরিতে যৌবনবতী হন, তারাই বেশি দিন বাঁচেন। আবার যাদের তাড়াতাড়ি যৌবন শুরু হয়, তারা মারাও যান তাড়াতাড়ি।

আমেরিকার বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যই পেয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ওমেইনে অবস্থিত জ্যাকসন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের ওপর দীর্ঘ গবেষণা চালান। তারা জানান, যেসব ইঁদুরের দেহে আইজিএফ১ হরমোন নিম্নমাত্রার, তারা অন্য ইঁদুরের চেয়ে ছয় মাস বেশি বাঁচে। উল্লেখ্য, আইজিএফ১ হরমোনটি দৈহিক বৃদ্ধি ও যৌবনের পূর্ণতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইঁদুরের ওপর গবেষণার বিষয়টি ন্যাশনাল একাডেমী অব সায়েন্সে জার্নাল প্রসেডিংয়ে প্রকাশিত হয়।

গবেষক দলের প্রধান ড. রাঙ ইউয়ান বলেন, নারীদের বেলায়ও নিম্নমাত্রার আইজিএফ১ হরমোন থাকলে তাদের যৌবন দেরিতে আসে এবং তারা বেশিদিন বাঁচেন।

জার্নালটিতে গবেষকরা লেখেন, উচ্চমাত্রার আইজিএফ১ হরমোন যেমন নারীদের দ্রুত যৌবন এনে দেয়, তেমনি মেনোপজও আগেভাগেই শুরু হয়। আর জীবনের সীমারেখাও সীমিত করে দেয় হরমোনটি। তিনি বলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরাও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি

বিশেষ একটি ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন গবেষকরা। আর এ পরীক্ষায় তাঁরা সফল হয়েছেন। ফলে এখন পুরুষের জন্য কার্যকর নন-হরমোনাল জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি এবার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
শুধু খাওয়ার ওষুধই নয়, জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য পুরষের দেহে প্রয়োগের কার্যকর ইঞ্জেকশনও তৈরি করেছেন গবেষকরা। এ ধরনের একটি ইঞ্জেকশনের নাম ভ্যাসেলজেল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ অনুমোদন পেয়েছে এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। জানা গেছে, সবকিছু ঠিক থাকলে এটি ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাজারে ছাড়া হবে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা দাবি করেছেন, পুরুষের মুখে খাওয়ার জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি তৈরি একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছেন তাঁরা। ইঁদুরের ওপর গবেষণায় সফলতার পর এখন পুরুষের ওপর এ বড়ির কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে আগ্রহী গবেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের ডানা-ফারবার ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ও বেলর কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকরা জানান, নারীর ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরেই জন্মনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা হিসেবে পিল বা বড়ির প্রচলন রয়েছে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে কার্যকর তেমন কোনো বড়ি তৈরি করা এখনো সম্ভব হয়নি। 'জেকিউ১' নামের একটি ড্রাগ তাঁদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে। এ ড্রাগ দিয়ে তাঁরা ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়েছেন। জেকিউ১ ব্যবহারে ইঁদুরের স্বাভাবিক যৌনজীবনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। গবেষকরা আশা করছেন, এ ড্রাগ মানুষের ক্ষেত্রেও কাজে লাগাতে পারবেন তাঁরা। তবে নিরাপদ ও কার্যকর করতে এ ড্রাগ নিয়ে আরো পরীক্ষা চালাবেন তাঁরা।
শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যালান পেইসি জানিয়েছেন, পুরুষের জন্য এ ধরনের বড়ি প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণ হিসেবে ইনজেকশন বা ইমপ্ল্যান্টের মাধ্যমে টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরিতে বাধা দিয়ে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়া কমানোর জন্য চেষ্টা করা হয়েছে।

পুরুষের জন্য অন্য একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি আবিষ্কার করেছেন ইসরায়েলের বিজ্ঞানীরা। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন খাওয়ার এই বড়ি শুক্রাণুকে জরায়ুতে প্রবেশের আগেই অকার্যকর করে দেবে। ফলে নারীর অবাঞ্ছিত গর্ভধারণের আশঙ্কা থাকবে না। বড়ির উদ্ভাবনকারী গবেষকরা জানান, প্রতি তিন মাসে মাত্র একবার বড়ি খেলেই চলবে। আগামী তিন বছরের মধ্যেই বাজারে পাওয়া যাবে এই বড়ি। জন্মবিরতিকরণ ইনজেকশনের মতো এই বড়িতে পুরুষদের হরমোন টেস্টোস্টেরন ও মেয়েদের হরমোন প্রজেস্টেরনের সমন্বয় ঘটানো হয়নি। এই বড়ি শরীরে ঢুকে শুক্রাণু থেকে গর্ভসঞ্চারকারী অতিপ্রয়োজনীয় প্রোটিন অংশ সরিয়ে ফেলবে। ফলে শুক্রাণু জরায়ুতে ঢুকলেও ডিম্বাণু নিষিক্ত করতে পারবে না। গবেষকদের বিশ্বাস, এতে নারীর গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ বন্ধ রাখতে সক্ষম হবে এই বড়ি। বর্তমানে পুরুষের জন্য পরীক্ষাধীন হরমোন ইনজেকশনের ব্যবহারে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, বিষণ্ণতা ও যৌনাকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। মেয়েদের ক্ষেত্রেও গর্ভনিরোধক বড়ির প্রধান সমস্যা এটি।
এ বিষয়ে বার-ইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হেইম ব্রেইটবার্ট বলেন, 'পুরুষরা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। এ কারণেই অনেকেই হয়তো বড়ি খেতে চাইবেন না। কিন্তু আমাদের উদ্ভাবিত বড়ির ক্ষেত্রে সে ভয় নেই।' নিয়মিত প্রতিদিন পিল খাওয়ারও ঝক্কি নেই। নতুন পিলটি প্রতি মাসে বা প্রতি তিন মাসে একটি করে খেলেই চলবে।

এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার গবেষকরাও পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন। বড়িটির নাম জেন্ডারুসা। গবেষকরা জানিয়েছেন, এটি দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে। এ পদ্ধতিটি কাজ করে শুক্রাণুর ওপর। মূলত শুক্রাণুকে ডিম্বাণু নিষিক্ত করায় বাধা দেয় এ ওষুধটি।

এতদিন ধরে পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য একটি পদ্ধতিই কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার নাম কনডম। এটি ব্যবহারের নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিশেষ করে পুরুষেরা অনেকেই এটি ব্যবহারে ভুল করেন। আর এ কারণে নারীর গর্ভধারণের আশঙ্কা থেকে যায়। নতুন জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাজারে চলে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এগুলো বাজারে এলে সে ঝুঁকি কমে যাবে।

সঙ্গীর যৌন তৃপ্তি হয় না, কী করব?

এক নারী জানিয়েছেন, তার সঙ্গীর যৌনতার সমস্যা রয়েছে। মূলত যৌনতার সময় তার বীর্যপাত হয় না। আর এ কারণে তার যৌন তৃপ্তিও হয় না। এ কারণে তিনি বেশ চিন্তিত। এ সমস্যার সমাধান কী হতে পারে? এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সেক্স থেরাপিস্ট ডেনিস নৌলেস।

বিশেষজ্ঞ ডেনিস নৌলেস বলেন, কোনো পুরুষের যদি যৌনতার সময় বীর্যপাত না হয় তাহলে তা যথেষ্ট মানসিক চাপ তৈরি করে। আর এটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। অবশ্য এজন্য চিন্তার কিছু নেই। কারণ সঠিক উপায় অবলম্বন করলে এ সমস্যার সমাধান করা যায়।

যা‌দের সমস্যা‌টি বে‌শি হয়
বহু পুরুষেরই এ সমস্যা হয়ে থাকে। সাধারণত বয়স্ক পুরুষের এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে যে কোনো বয়সের পুরুষেরই এ সমস্যা হতে পারে।
বীর্যপাত না হলেই এ ধারণা করা যাবে না যে, তিনি আপনার প্রতি আকৃষ্ট নন। একইভাবে তিনি যৌনতার জন্য অনুপযুক্ত, এমনটা ভাবারও কারণ নেই। কারণ সঠিক চিকিৎসায় বিষয়টির সমাধান করা সম্ভব।

যেসব কার‌ণে পুরুষের বীর্যপাত হয় না
বিভিন্ন কারণে পুরুষের বীর্যপাত নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে, সঠিকভাবে কারণটি নির্ণয় করে তার সমাধানের চেষ্টা করা।
সাধারণ যে কারণগুলোতে বীর্যপাত নাও হতে পারে সেগুলো হলো- অ্যালকোহল আসক্তি, ডায়াবেটিস বা এ ধরনের রোগ, প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের সার্জারি, বিষণ্ণতা, মানসিক চাপ, উদ্বেগ, নার্ভাসনেস ইত্যাদি।

বীর্যপাতহীনতা সমস্যার সমাধান
এগুলোর মধ্যে অ্যালকোহল আসক্তি বা অন্য কোনো নেশা গ্রহণের প্রবণতা থাকলে তা বাদ দিলে উপকার হবে। ডায়াবেটিস ও এ ধরনের রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সমস্যা দূর হবে। মানসিক চাপ ও উদ্বেগের কারণে এমনটা হলে মানসিক চাপ দূর করতে হবে। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ঘুম, বিশ্রাম ও চাপ মুক্ত থাকার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। উদ্বেগজনিত সমস্যা ও বিষণ্ণতা থাকলে মানসিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অনেক পুরুষেই তাদের সঙ্গী গর্ভবতী হয়ে পড়েন কি না, এ চিন্তায় সঠিকভাবে বীর্যপাত করতে পারেন না। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরোধক ব্যবস্থা কিংবা জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারে তাকে আশ্বস্ত করলে সমস্যা সমাধান হতে পারে।
এছাড়া যৌনতার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হয় এবং আরামদায়ক স্থানে যৌনতার জন্য আগ্রহী হতে হয়। মানসিক চাপ, বাড়তি পরিশ্রম, পুষ্টিকর খাবারের অভাব ইত্যাদি সমস্যাগুলো দূর করলেও এ সমস্যা চলে যায়। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিছু ওষুধ সেবনেও এ সমস্যা দূর করা যায়।

অনেকেই সঠিকভাবে কারণ নির্ণয় করতে না পারায় নিজে থেকে এ সমস্যা সমাধান করতে পারেন না। আপনার সঙ্গীর সমস্যা যদি সমাধান করতে না পারেন তাহলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন।