দ্বিতীয় সন্তানের প্ল্যান করছেন? তাহ‌লে জে‌নে রাখুন

অনেকই প্রথম সন্তানের পর দ্বিতীয় সন্তানের ব্যাপারে একটু বেশি সময় নেয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত তো কি সবসময় সঠিক হয়? নাকি প্রথম সন্তানের এক-দুই বছরের মধ্যেই দ্বিতীয় সন্তানের জন্য তৈরি হওয়া উচিত। চিকিৎসকরা বলছেন, এই বিষয়টি অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। তাই দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্য মাথায় রাখুন কয়েকটি জিনিষ।

১) গর্ভাবস্থায় আপনার শরীরে অনেক পরিবর্তন হয়। যদি আপনি বেশ কয়েক বছর আগে প্রথম সন্তানের জন্ম দেন, আপনার শরীরও যদি ঠিক থাকে। তবে আপনি দ্বিতীয় সন্তানের কথা ভাবতে পারেন। এই পরিবর্তনের জন্য অবশ্য়ই মানসিক দিক থেকে তৈরি থাকতে হবে। নাহলে মুশকিল হতে পারে।
২) আপনার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলও পরিবর্তন হয়। এটাই স্বাভাবিক ডিম্বানু তৈরি হওয়া কমে যেতে থাকে। এছাড়াও মিসক্যারেজের সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই এই বিষয়টা মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

৩) একটি সন্তান হওয়ার পর তাঁকে বড় করে তোলা, এই সবকিছুতেই অনেকটা খরচ হয়ে যায় আপনার। তাঁর ভাল ভবিষ্যৎ, স্কুলের খরচ সবকিছুই আপনাকে মাথায় রাখতে হয়। তাই দ্বিতীয় সন্তানের কথা ভাববেন যখন নিজেদের আর্থিক অবস্থার কথা মাথায় রাখাটা খুবই প্রয়োজনীও।

৪) দ্বিতীয় সন্তানের কথা যখন ভাবছেন, মনে রাখুন আপনার প্রথম সন্তানের যত্ন আপনাকেই করতে হবে। এই সময়ভাগটা কিন্তু আপনাকেই করতে হবে। তাই দুই সন্তানকে যদি সময় দিতে পারেন, তবেই দ্বিতীয় সন্তানের কথা ভাবুন। একইসঙ্গে নবজাতকের যত্ন করতে হবে।



লাভ ম্যারেজ করেও সংসারে অশান্তি? খেয়াল রাখুন এই ৫ বিষয় : Love Marriage

প্রেমের বি‌য়ে হল শুধুমাত্র দম্পতি দ্বারা চালিত হয়। পিতামাতার সম্মতিতে বা ছাড়াই ছে‌লে-‌মে‌য়ে‌দের পছ‌ন্দে ভি‌ত্তি‌তে প্রেম বিবাহ হ‌য়ে‌ থা‌কে যা সাজানো বিবাহের বিপরীত। 

গদ্য, পদ্য, সিনেমা, গল্প। সব জায়গা থেকেই শেখা। ভালোবাসা থাকলে নাকি সব থাকে। কিন্তু এই ভালোবাসাই যদি সংসারে ঢুকে ভা‌লোবাসাহীন হয়ে দাঁড়ায়। রোজ রোজ যদি শুরু হয় অ‌বিশ্বাস, ঝগড়া, অশান্তি! তাহলে?

লাভ ম্যারেজেও আজকাল সমস‌্যা দেখা যায়। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই অশান্তির সূত্রপাত। দুজনে একেবারেই দু'চোখের বিষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে, সামলে রাখা যায় আপনার সম্পর্ক ও সংসারকে।

১) একঘেয়ে রুটিন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিন। চেষ্টা করুন রোমাঞ্চ ফেরাতে জীবনে। পারলে  কোথাও ঘুরে আসুন। কিংবা দুজনে আলাদা আলাদা সোলো ট্রিপে বা বন্ধুদের সঙ্গেও ঘুরতে যেতে পারেন।

২) কোনও বিষয় নিয়ে যদি মতপার্থক্য থাকে। তাহলে একজন অন্তত চুপ থাকুন। প্রয়োজনে বিতর্ক এড়িয়ে যান।
৩) মন খুলে কথা বলুন, কান খুলে কথা শুনুন। আগে থেকেই আন্দাজ করে নেবেন না ঘটনাপ্রবাহ। দেখবেন এতে অশান্তি কম হবে।
৪) নিজেদের সম্পর্কের মধ্য়ে তৃতীয় ব্যক্তিকে আসতে দেবেন না। নিজেদের সমস্যাগুলোকে নিজেরাই মিটিয়ে নিন।

৫) ভালোবাসা নিশ্চয়ই রয়েছে আপনাদের মধ্যে। খুঁজে বার করুন। প্রয়োজনে এমন কিছু কাজ একসঙ্গে করুন, যা আপনাদের দুজনেরই ভালো লাগবে।




Lovemarage, 

পিরিয়ডের কত দিন পর প্রেগন্যান্সির ঝুঁকি কম থাকে? যা বলছেন চিকিৎসকরা : Guide to Pregnancy

অযথা গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট খাবেন না, এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রচুর! বরং মাথায় ঢুকিয়ে নিন সহজ একটা ব্যাপার! মহিলাদের স্বাভাবিক ঋতুচক্র প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত৷ এতে এমন কিছুদিন রয়েছে, যাকে নিরাপদ দিন বা সেফ পিরিয়ড বলে। এই দিনগুলিতে যত ইচ্ছে সঙ্গম করুন, আপনি প্রেগন্যান্ট হবেন না! চিকিৎসকরা একে ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলেন। আপনার ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলি? এটা জানতে হলে আগে জানতে হবে আপনার পিরিয়ড নিয়মিত হয় কি না। যদি নিয়মিত হয়, তা হলে কতদিন অন্তর হয়। সবচেয়ে কম যত দিন পর পর মাসিক হয়, তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিতে হবে। পিরিয়ড শুরুর প্রথম দিন থেকে এই দিনটিই হল প্রথম অনিরাপদ দিন। আবার সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর পিরিয়ড হয়, তা থেকে ১০ দিন বাদ দিলে পিরিয়ড শুরুর প্রথম দিন থেকে এই দিনটিই হল শেষ ঝুঁকির দিন।

অযথা গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট খাবেন না, এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রচুর! বরং মাথায় ঢুকিয়ে নিন সহজ একটা ব্যাপার! মহিলাদের স্বাভাবিক ঋতুচক্র প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত৷ এতে এমন কিছুদিন রয়েছে, যাকে নিরাপদ দিন বা সেফ পিরিয়ড বলে। এই দিনগুলিতে যত ইচ্ছে সঙ্গম করুন, আপনি প্রেগন্যান্ট হবেন না! চিকিৎসকরা একে ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলেন।

আপনার ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলি? এটা জানতে হলে আগে জানতে হবে আপনার পিরিয়ড নিয়মিত হয় কি না। যদি নিয়মিত হয়, তা হলে কতদিন অন্তর হয়। সবচেয়ে কম যত দিন পর পর মাসিক হয়, তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিতে হবে। পিরিয়ড শুরুর প্রথম দিন থেকে এই দিনটিই হল প্রথম অনিরাপদ দিন। আবার সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর পিরিয়ড হয়, তা থেকে ১০ দিন বাদ দিলে পিরিয়ড শুরুর প্রথম দিন থেকে এই দিনটিই হল শেষ ঝুঁকির দিন।

ধরুন আপনার পিরিয়ড ২৮ থেকে ২০ দিন অন্তর হয়৷ তবে ২৮-১৮= ১০, অর্থাৎ পিরিয়ড শুরুর পর থেকে প্রায় ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ, এই দিনগুলিতে কোনও সুরক্ষা ছাড়াই সঙ্গম করতে পারেন। গর্ভধারণ হবে না! ১০ নম্বর দিন থেকে শুরু হচ্ছে অনিরাপদ দিন! এই সময়ে সুরক্ষা ছাড়া সঙ্গম করলে প্রেগন্যান্সির ঝুঁকি বিশাল! তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন, প্রেগন্যান্ট হন কী না হন, সঙ্গমের সময় সুরক্ষা অর্থাৎ কন্ডোম ব্যবহার করা কিন্তু মাস্ট! এমনও তো হতে পারে, আপনি প্রেগন্যান্ট হলেন না, অথচ সঙ্গীর থেকে কোনও যৌনরোগে আক্রান্ত হলেন! অযথা রিস্ক কেন নেবেন?

৩০ দিন হল দীর্ঘতম মাসিকচক্র অর্থাৎ মেন্সটুরাল সাইকেল ৷ তাই ৩০-১০= ২০, অর্থাৎ ২০ নম্বর দিনটিই হল শেষ ঝুঁকির দিন ৷ ২১তম দিন থেকে আবার নিশ্চিন্তে যৌনসঙ্গম করুন, প্রেগন্যান্সির কোনও চান্স নেই। কিন্তু ১০ থেকে ২০ দিনের মধ্যে সুরক্ষা ছাড়া সঙ্গম করলে গর্ভধারন হতে পারে৷ আপনি যদি প্রেগন্যান্ট না হতে চান, তবে পিরিয়ড শুরুর প্রথম সাতদিন ও শেষের প্রথম সাতদিন যৌনমিলনের জন্য নিরাপদ৷ তবে, পিরিয়ড নিয়মিত না হলে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না







মিলনের সময় দ্রুত বির্যপাত থেকে মুক্তির উপায় কী? Premature Ejaculation

দ্রুত বীর্যপাত রোধে কম কোলস্টেরল ও কম চিনি সমৃদ্ধ খাবার খান। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক কাপ গরম দুধের সাথে ১০ টি বাদাম (পানিতে ভিজিয়ে রাখা), জাফরান, এক চিমটি আদা ও এক চিমটি এলাচ মিশিয়ে খান। যৌন জীবনকে উপভোগ করতে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান, শরীরে শক্তি বাড়ান। সহবাসের সময় দ্রুত বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য এখানে কিছু উপায় রয়েছে:

পেলভিক পেশী ব্যায়াম: 

কেগেল ব্যায়ামের মাধ্যমে পেলভিক পেশী শক্তিশালী করা বীর্যপাতের উপর নিয়ন্ত্রণ উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

আচরণগত কৌশল: 

"স্টপ-স্টার্ট" কৌশলটির মধ্যে বীর্যপাতের ঠিক আগে উদ্দীপনা বন্ধ করা এবং চালিয়ে যাওয়ার আগে বীর্যপাতের তাগিদ কমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা জড়িত। বীর্যপাতের ঠিক আগে লিঙ্গের মাথার উপর চাপ প্রয়োগ করা " স্কুইজ" কৌশল অন্তর্ভুক্ত।

থেরাপি: 

দম্পতি বা পৃথক থেরাপি সম্পর্ক এবং মনস্তাত্ত্বিক সমস্যাগুলির সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে যা দ্রুত বীর্যপাতের জন্য অবদান রাখতে পারে।

ওষুধ: 

কিছু ওষুধ যেমন ড্যাপোক্সেটিন বা টপিকাল অ্যানেস্থেটিকস বীর্যপাত বিলম্বে সাহায্য করার জন্য একজন ডাক্তার দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।

লাইফস্টাইল পরিবর্তন: 

অ্যালকোহল এবং মাদকের ব্যবহার কমানো, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা এবং পর্যাপ্ত ঘুম পাওয়া যৌন ফাংশন উন্নত করতে পারে এবং দ্রুত বীর্যপাতের সম্ভাবনা কমাতে পারে।


এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এই কৌশলগুলি এবং চিকিত্সাগুলি সবার জন্য কাজ নাও করতে পারে এবং সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে পেতে সময় এবং ধৈর্য লাগতে পারে। যদি দ্রুত বীর্যপাত কষ্টের কারণ হয়, তাহলে একজন ডাক্তার বা যৌন স্বাস্থ্য পেশাদারের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।








দ্রুত বির্যপাত থেকে মুক্তির কী উপায়, দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ejaculation) এর কারন ও প্রতিকার, কিভাবে দ্রুত বীর্যপাত হতে মুক্তি পাওয়া যাবে? দ্রুত বীর্যপাতের কারন, চিকিৎসা ও ঔষধ, অকাল বীর্যপাত, দ্রুত বীর্য পাতের সমাধান কি, দ্রুত বীর্য পাতের প্রাকৃতিক চিকিৎসা, দ্রুত বীর্য পাত রোধের উপায়, দ্রুত বীর্য পাতের ইসলামিক চিকিৎসা 

মিলনের আগে আগে মুখে নিন এই জিনিস, দীর্ঘ সময় সঙ্গীকে উদ্দাম সুখ দিতে পারবেন : What-food-to-eat-before-intimate-can-give-extreme-pleasure-to-your-partner-for-long-time-sup

অনেক নারী ও পুরুষের শারীরিক মিলনের কামনা বেশি থাকে। তবে দীর্ঘসময় অনেক মিলন সময় সম্ভব হয়না নানা কারণে। তবে এমন কিছু জিনি আছে মিলনের ১ মিনিট আগে যা মুখে দিলে টানা কয়েক ঘন্টা সহবাস করতে পারবেন।

অনেক নারী ও পুরুষের শারীরিক মিলনের কামনা বেশি থাকে। তবে দীর্ঘসময় অনেক মিলন সময় সম্ভব হয়না নানা কারণে। বর্তনমানে নানারকমের ওষুধ বাজারে এসেছে যা মিলনের সময় বাড়ায় বলে দাবি করে। তবে সে সকল ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকার সম্ভাবনা বেশি।

তবে ওষুধের ব্যবহার নয়, প্রাকৃতিক কিছু উপায়েও মিলনের সুখ অনেকক্ষণ উপভোগ করা যায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন কিছু খাবার রয়েছে যা সঙ্গার সঙ্গে মিলনের আগে খেয়ে নিলে মিলন অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হন।

দুধ হল এমন একটি প্রাকৃতিক খাবার যা যৌ নজীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। কারণ দুধের মধ্যে অনেক বেশি পরিমাণে প্রাণীজ ফ্যাট রয়েছে। তবে বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরে সেক্স হরমোন বাড়াতে প্রচুর ফ্যাট জাতীয় খাবার খেতে হবে। তবে তা অবশ্যই প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট হতে হবে।

মিলনকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ঝিনুক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ঝিনুকের মধ্যে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক পুরুষদের শরীরে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য় করে এবং মিলনের ইচ্ছা বাড়াতেও কার্যকরী ঝিনুক।

মিলনের আগে তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যৌন উত্তেজনা তিনগুণ বাড়িতে তুলতে জুড়ি মেলা ভার তরমুজের। তবে শুধু তরমুজই নয়, পাতিলেবুরও বিকল্প নেই। তরমুজ এবং পাতিলেবুর মিশ্রণই প্রাকৃতিক ভায়াগ্রার কাজ করে।

সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়াতে চকোলেটের ভূমিকা গুরুত্বপীর্ণ। চকোলেট খেলে সেরোটোনিন নির্গত হয়। যা ভিতর থেকে মনকে তরতাজা করে। উদ্দাম মিলনের আগে চকোলেট খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে সঙ্গম অনেকক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

সারা দিনের পর ক্লান্ত শরীরে এক কাপ কফি মুহূর্তে চাঙ্গা করে দিতে পারে। সকলেই জানেন, মুড ভাল রাখতে কফির জুড়ি মেলা ভার। ক্যাফেইনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। যা শরীর ও মনকে চাঙ্গা করে তোলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিলনের আগে কফি খেয়ে নিলে সহবাসের সুখ অনেকক্ষণ ধরে রাখা যায়।

পালং শাক যেমন শরীরের জন্য ভাল তেমনই মিলনের উত্তেজনা দ্বিগুন বাড়িয়ে তুলতে পারে এই শাক। এই শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ, খনিজ থাকে, যা টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সঙ্গে অর্গ্যাজম এবং যৌন উত্তেজনা বাড়ে। সুতরাং সঙ্গীর সঙ্গে মিলনের আগে এই খাবারগুলি ট্রাই করতে পারেন।



কীভাবে মিলন করলে মেয়েরা চরম সুখ পায়, এই উপায়গুলি মেনে চললে আপনি 'সিংহ পুরুষ' : How to Satisfy a Woman while being Intimate sup

ঠিক কীভাবে মিলনে লিপ্ত হলে বা কী করলে আরও বেশি তৃপ্তি দেওয়া যায় মহিলা সঙ্গীকে? এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় অনেকের মাথাতেই। আপনাদের জন্য রইল সহজ কিছু উপায়।

শুরুতে গল্প করুন: মিলনে লিপ্ত হওয়ার আগে সঙ্গীর সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান। তার সঙ্গে গল্প করুন। তার মন জেতার চেষ্টা করুন। তবে তা কোনও ছলের মাধ্যেমে নয়। তাতে সঙ্গী রুষ্ট হতে পারে। তা সত্যি প্রশংসা করুন। ধীরে ধীরে উত্তেজক গল্প শুরু করুন। 

ফোর প্লে-তে সময় দেওয়া: বেশির ভাগ নারীই সরাসরি সঙ্গম পছন্দ করেন না। তার আগে ফোর প্লে-র মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে যৌন সুখ উপভোগ করতে চান। যত বেশি সময় আপনি সঙ্গীর সঙ্গে ফোর প্লে করতে পারবেন তত সে সুখ পাবেন। তাই ফোর প্লে-তে সময় দেওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কল্পনা বা ফ্যান্টাসী: মিলনকালে অথবা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। সঙ্গীর উত্তেজক কর্মকান্ডের সঙ্গে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সুখকর আবেশে জড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রানীর আসনে থাকে। আর বর্তমান যুগে মিলনের সময় উভয় পক্ষের মধ্যেই নানা ধরনের ফ্যান্টাসী কাজ করে।

সরাসরি মিলনে দেরী করা: মিলন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই কোনও নারী ইন্টার কোর্স করতে পছন্দ করেন না। তাতে তাদের সুখের থেকে বেশি ব্যাথা অনুভব হয়ে থাকে। তাই সঙ্গীকে যৌন সুখ দিতে চাইলে সরাসরি মিলনের ইচ্ছা ত্যাগ করে সময় নেওয়াটা ভালো।

ভাইব্রেটর : আমাদের দেশে সেক্স টয়য়ের ব্যবহার বেশিরভাগ মানুষই এড়িয়ে চলেন। তবে সঙ্গমে ভাইব্রেটরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মহিলাদের গোপনাঙ্গের ভিতর আপনার মধ্যমা দিয়ে কম্পন সৃষ্টি করতে পারলে সঙ্গী খুব সুখ পেতে পারেন। তবে এই পদ্ধতি সবসময় না করা ভালো।

সঙ্গমের সময় যতটা সম্ভব সময় দেওয়া: ইন্টার কোর্সের সময় যতটা সম্ভব সঙ্গীকে খুশি করার চেষ্টা করা। উপরের নিয়মগুলি মেনে চললে সঙ্গী এমনিতেই অনেকটা সন্তুষ্ট হয়ে যাবে। তবে সঙ্গীর অর্গাজম হওয়াটা খুব দরকার। তাহলের সঙ্গী চরম সুখ পেয়ে থাকে।

মিলন শেষে সোহাগ দিন: মিলন শেষেও সঙ্গীকে কিছুটা সময় দিন। প্রয়োজনে তাকে আদর করুন ও মিষ্টি মিষ্টি কথা বলুন। প্রয়োজনে যে কোনও ধরনের সংক্রমণ এড়াতে একসঙ্গে স্নানও করতে পারেন। তাকে সঙ্গীর মনে আপনার প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হবে।


মিলনের চূড়ান্ত মুহূর্তে সঙ্গীর মুখ থেকে কোন কথাটা শুনতে চান একজন নারী? Healthy Lovelife Tips

বিশেষজ্ঞরা নি‌র্দ্বিধায় বলেন, একটা সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি সুস্থ-স্বাভাবিক যৌনজীবন! আপনার যৌন ইচ্ছে বা লিবিডো যদি সঠিকভাবে চরিতার্থ না হয়, আপনি কখনও সার্বিকভাবে ভাল থাকতে পারবেন না! এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত! কিন্তু এত কিছুর পরও, আমাদের দেশে যৌনতা নিয়ে প্রচুর রাখঢাক রয়েছে! মানুষ আজকের দিনেও মানতে পারেন না, খিদে পাওয়া, ঘুম পাওয়ার মতোই একটা স্বাভাবিক প্রবৃত্তি যৌনতা!

যৌনতা নিয়ে মানুষের মনে হাজারো ফ্যান্টাসি রয়েছে! মিলনের মাধ্যমে শুধু কিন্তু শারীরিক চাহিদা পূরণই নয়, যৌনতায় মানসিক দিকখানিও অনেকখানি জুড়ে রয়েছে! যৌনতা নিয়ে চলে হাজারও গবেষণা, সমীক্ষা! যৌনতার অন্তিম মুহূর্ত বা অর্গাজম-এর সময় পুরুষ সঙ্গীর থেকে কোন কথাটা শুনতে চান একজন মহিলা? সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়।

অনেক সময় দেখা যায়, যৌনমিলন হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু কেমন জানি রুটিনমাফিক! যৌনতৃপ্তি গায়েব হয়ে গিয়েছে! চলে এসেছে একঘেয়েমি! এর পরই ধীরে ধীরে যৌনতায় আগ্রহ কমে আসে! এর ফল মারাত্মক হয়! কখনও দেখা দেয় সম্পর্কে ফাটল- বিচ্ছেদ, কখনও বা দু'জনের মধ্যে এন্ট্রি হয় তৃতীয় ব্যক্তির, পরকীয়ায় মজে মানুষজন!

মাথায় রাখবেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা যেমন প্রয়োজন, একই সঙ্গে দরকার যৌনতৃপ্তিও। কীভাবে মিলবে সেই তৃপ্তি? শুধু সঙ্গমে? আমেরিকার চাপম্যান ইউনিভার্সিটি এই বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য!

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মিলনের সময় মহিলারা তাঁদের পুরুষ সঙ্গীর কাছ থেকে ‘আই লাভ ইউ’ বাক্যটি শুনতে চান। অরজাগমের সময় পুরুষ সঙ্গীর মুখে 'আই লাভ ইউ' কথাটি একজন নারীরে পরিপূর্ণ যৌনসুখ দিতে পারে।

পুরুষ যৌনাঙ্গ সম্পর্কে কয়েকটি অজানা তথ্য, জানলে নারীরা চমকে যাবেন : Man Penis Info

যৌনতা নিয়ে আমাদের দেশে এখনও অনেক গোপনীয়তা! এই বিষয়টি নিয়ে মানুষের মনে হাজারও কৌতূহল, অনেক সমস্যা, কিন্তু তাও খোলাখুলি কথা বলা হয় না! এদিকে ঘুম পাওয়া, খিদে পাওয়ার মতোই ভীষণ স্বাভাবিক একটি প্রবৃত্তি যৌনতা। গবেষকরা বলেন, একটি সুখি-সুস্থ জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি সুস্থ যৌনতা! 
আজ‌কে পুরুষ যৌনাঙ্গ সম্পর্কে কয়েকটি অজানা তথ্য জানা‌বো, যা জানলে মেয়েরা চমকে যাবেন।

০১। যে পুরুষরা নিয়মিত ধূমপান করেন, তাঁদের যৌনাঙ্গের দৈর্ঘ্য স্বাভাবিকের তুলনায় এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত কমে যেতে পারে। মদ্যপানেও এই সমস্যা হতে পারে।

০২। ব‌াঙালী পুরুষদের যৌনাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৫.৫৬ ইঞ্চি। এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক দৈর্ঘ্যের যৌনাঙ্গের রেকর্ড রয়েছে ১৩.৫ ইঞ্চি।

০৩। নারীর যৌনাঙ্গে বেশ কিছু দিন বেঁচে থাকতে পারে শুক্রাণু। পুরুষের সঙ্গে মিলনের সময়ের কোনও শুক্রাণু যদি নারীর যৌনাঙ্গে থেকে যায়, তাকে দু’পাশ দিয়ে ঠেলে বার করে দেওয়ার মতো গড়ন পুরুষের যৌনাঙ্গের মাথার। সেই কারণেই পুরুষ যৌনাঙ্গের মাথার গরণ ওইরকম।

০৪। অনেকেই ভাবেন পুরুষের যৌনক্ষমতার পুরোটাই হয়তো নির্ভর করছে যৌনাঙ্গের উপর। তা নয়। যৌনক্ষমতার পুরোটাই নির্ভর করছে মেরুদণ্ডের উপর। কখন যৌনাঙ্গ উত্তেজিত হবে, কখন অর্গ্যাজম হবে— সবই মেরুদণ্ডের উপর নির্ভর করে।

০৫। সঙ্গমের সময়ে যদি ঘরে কোনও সুগন্ধি দ্রব্য রাখা যায়, তা হলে পুরুষের যৌনাঙ্গের ক্ষমতা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।



#যৌনমিলন #সেক্স