অণ্ডথলি ফোলার কারণ ও চিকিৎসা

অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া হলো অণ্ডথলি অস্বাভাবিক বড় হওয়া। আর অণ্ডথলি হলো এমন একটা থলি, যার মধ্যে অণ্ডকোষ থাকে।
যেকোনো বয়সী পুরুষের অণ্ডথলি ফুলে যেতে পারে। এর সঙ্গে ব্যথা থাকতে পারে, আবার না-ও থাকতে পারে। এটা অণ্ডথলির এক পাশে অথবা দুই পাশেই হতে পারে।
অণ্ডকোষ ও পুরুষাঙ্গ জড়িত থাকতে পারে অথবা না-ও থাকতে পারে।

অণ্ডথলি ফুলে যাওয়ার কারণ
- আঘাত,
- হার্নিয়া,
- কনজেসটিভ হার্ট ফেইলিওর,
- হাইড্রোসিল,
- অণ্ডকোষের প্রদাহ,
- অণ্ডকোষে প্যাঁচ খাওয়া,
- ভ্যারিকোসিল বা অণ্ডথলির শিরার স্ফীতি,
- কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ,
- যৌনাঙ্গ এলাকায় শল্য চিকিৎসা,

[বি.দ্র. অণ্ডকোষে প্যাঁচ খাওয়া একটি মারাত্মক জরুরি অবস্থা। এ ক্ষেত্রে অণ্ডথলির মধ্যে অণ্ডকোষ পেঁচিয়ে যায় এবং এতে অণ্ডকোষে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। যদি দ্রুত প্যাঁচ খোলা না যায়, তাহলে অণ্ডকোষ স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।]

অণ্ডথ‌লি ফোলার ঘরোয়া চিকিৎসা
- প্রথম ২৪ ঘণ্টা অণ্ডথলিতে বরফের সেক দিতে হবে। এরপর সিজবাথ নিলে ফোলা কমবে।
- ব্যথা তীব্র হলে একটি তোয়ালে পাকিয়ে অণ্ডকোষের ঠিক নিচে দুই পায়ের মাঝে রাখতে হবে। এতে ব্যথা ও ফোলা দুটোই কমবে।
- দৈনন্দিন কাজ করার পর ঢিলেঢালা অ্যাথলেটিক সাপোর্টার পরা যেতে পারে। ফোলা না কমা পর্যন্ত কাজকর্ম থেকে বিরত থাকতে হবে।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
যদি আপনার অণ্ডথলি ফুলে যায়, যদি ফোলাটা ব্যথাযুক্ত হয় কিংবা যদি অণ্ডকোষে চাকা অনুভব করেন, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

চিকিৎসক যা করবেন
চিকিৎসক আপনাকে শারীরিক পরীক্ষা করবেন এবং রোগের ইতিহাস নেবেন। তিনি আপনার কাছ থে‌কে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে চাইতে পারেনঃ
* কখন ফোলা শুরু হয়?
* এটা কি হঠাৎ করে হয়েছে?
* অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছে?
* ফোলাটা কত বড়?
* ফোলাটায় কি পানি জমেছে?
* ফোলা এলাকায় আপনি কি টিস্যু অনুভব করতে পারেন?
* ফোলা কি অণ্ডথলির একদিকে, নাকি সমগ্র অণ্ডথলিতে?
* দুই পাশের ফোলা কি একই ধরনের?
(কখনো কখনো অণ্ডথলির ফোলা প্রকৃতপক্ষে বড় অণ্ডকোষ, অণ্ডকোষে চাকা অথবা শুক্রবাহী নালির ফুলে যাওয়ার কারণে হয়।)
* আপনার যৌনাঙ্গ এলাকায় কোনো অপারেশন হয়েছে?
* আপনার যৌনাঙ্গ এলাকায় কি কোনো আঘাত পেয়েছেন?
* আপনার যৌনাঙ্গ এলাকায় কি সম্প্রতি কোনো সংক্রমণ হয়েছে?
* আপনি বিছানায় বিশ্রাম নিলে কি ফোলা চলে যায়?
* আপনার অণ্ডথলিতে কি কোনো ব্যথা আছে?

চিকিৎসক অণ্ডথলি, অণ্ডকোষ ও পুরুষাঙ্গ ভালো করে পরীক্ষা করে দেখবেন। বেশ কিছু ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসক যথাযথ অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ দিতে পারেন।

ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
সহকারী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমাটোলজি বিভাগ,
ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

পুরুষত্বহীনতার কারণসমুহ

পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের যৌন অক্ষমতা বা যৌন দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে উঠতি বয়সের যুবকরা হতাশ। য‌দিও এ‌টি আপনসৃষ্ট এক‌টি সমস্যা। ত‌বে এর ব্য‌তিক্রম খুব সামান্য লক্ষ করা যায়।

পুরুষত্বহীনতা: এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়। যৌন মিল‌নে পূর্ণতা না পাওয়া বা যৌন ইচ্ছ‌া ক‌মে যাওয়া থে‌কে শুরু ক‌রে দ্রুত বীর্যপাত, লিঙ্গ উ‌ত্থিত না হওয়া প্রভৃ‌তি পুরুষত্বহীনতার মাধ্যম।

পুরুষত্বহীনতার শ্রেণীবিভাগ: পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
১. ইরেকশন ফেইলিউর: পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা।
২. পেনিট্রেশন ফেইলিউর: লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা।
৩. প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন: সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।

পুরুষত্বহীনতার কারণ: প্রধান কারণগুলো হচ্ছে-

* বয়সের পার্থক্য,
* পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী),
* দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ,
* ডায়াবেটিস,
* যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া),
* রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা,
* যৌনরোগ বা এইডস-ভীতি,
* নারীর ত্রুটিপূর্ণ যৌনাসন,
* সেক্স-এডুকেশন এর অভাব।

যুবকরা হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে গিয়ে স্বেচ্ছায় বিভিন্ন হরমোন ইনজেকশন অথবা অকার্যকর ওষুধ সেবন করে। এটি মোটেই কাম্য নয়। এর পার্শ্ব-ক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত সত্যিকারভাবে পুরুষত্বহীনতার আশঙ্কা দেখা দেয়। যা থেকে পরবর্তীতে আরোগ্য লাভ করা অসম্ভব।

লেখক: ডা. একেএম মাহমুদুল হক (খায়ের)। ত্বক, যৌন, অ্যালার্জি ও কসমেটিক সার্জন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
ফোন : ০১৬৭৮৫৯২০৭১

পিরিয়ড বা মা‌সিক: মেয়েদের জন্য জরুরি কিছু তথ্য

মে‌য়ে‌দের বয়:স‌ন্ধিকা‌লে পদার্প‌ণের প্রথম বৈ‌শিষ্ট্যই ঋতুস্রাব বা পি‌রিয়ড (Period)। এ‌কে 'মা‌সিক'-ও ব‌লা হ‌য়ে থা‌কে। প্র‌ত্যেক মে‌য়ে‌দের জন্য এটি এক‌টি শরীরবৃত্তীয় প্র‌ক্রিয়া। যে প্র‌ক্রিয়ার অংশ হি‌সে‌বে প্র‌তি মা‌সেই মে‌য়ে‌দের পি‌রিয়ড বা মা‌সিক হ‌য়ে থা‌কে। নারী‌দেহ‌কে সুস্থ্য ও গর্ভধারণে সক্ষম কর‌তে প্রতি মাসের নি‌র্দিষ্ট তা‌রিখ থে‌কে স্বাভা‌বিক নিয়‌মে ক‌য়েক‌দিন ব্যাপী পি‌রিয়ড হয়। এ সময় মেয়েদের জরায়ু থেকে কার্ভিক্স পার হয়ে জননেন্দ্রিয় দিয়ে রক্ত নির্গত হয়। এই অবস্থার অর্থ তাদের শরীর স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে; স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় হরমোন পাচ্ছে শরীর। তবে বি‌শেষ কিছু অ‌নিয়ম ও অব‌হেলার কার‌ণে মে‌য়ে‌দের মাসি‌কের সমস্যা দেখা দেয়। মা‌সি‌কের এসব সমস্যার ম‌ধ্যে অ‌নিয়‌মিত মা‌সিক, সাদা স্রাব, তল‌পে‌টে অস্বাভা‌বিক ব্যাথা ইত্যা‌দি

বি‌য়ের পর যে কাজগু‌লো করা উ‌চিত

বি‌য়ে বা বাগদানের পর দম্প‌তিরা; বি‌শেষ ক‌রে মে‌য়েরা কিছুটা অজানা দু‌শ্চিন্তায় দোদুল্যমান হ‌য়ে প‌ড়ে। অজানা প‌রি‌বেশ, হটাৎ চেনা মানুষ, সঙ্গী প্রভৃ‌তি বিষ‌য়ের বেড়াজা‌লে আট‌কে থা‌কে। কিন্তু বি‌য়ের ব্যাপারটা একটু স্বাভা‌বিকভা‌বে নি‌য়ে, সেটা উপ‌ভোগ ও চ্যা‌লে‌ন্জের সমন্ময় হি‌সে‌বে বিক‌শিত কর‌তে পার‌লেই অ‌নেকটা স্ব‌স্তি পাওয়া সম্ভব। তাই দম্প‌তি‌দের উ‌চিত বিয়ের সময়টা ঘনিয়ে এলে ভয় না পাওয়া। 

বিশেষ করে অ‌নেক নারীদেরই দু‌শ্চিন্তা বাড়তেই থাকে। আঙটি পরার পর থেকেই মেয়েদের জীবনটা অন্যরকম হতে থাকে। তাই কখনই নি‌জে‌কে দূর্বল ভাব‌বেন না। আত্মবিশ্বাস নি‌য়ে সাম‌নে এ‌গি‌য়ে চলার সাহস

পুরুষের যৌনশক্তি কম‌ছে আশঙ্কাজনক হা‌রে

চল্লিশের আগেই ‌যৌনশ‌ক্তি বা কামশক্তি হারিয়ে ফেলছেন পুরুষরা। অথবা নানা যৌনসমস্যায় ভুগছেন।
গত এক বছর ধরে ভারতের রাজধানী দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ২ লাখ পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোন প্রোফাইল টেস্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের সিমেন অ্যানালিসস (স্পার্ম কাউন্ট ও মরফোলজি) করে বিস্মিত হয়েছেন গবেষকরা। সাধারণত মধ্য পঞ্চাশ পর্যন্ত পুরুষের যৌন ক্ষমতা থাকে। কিন্তু, এখন পঞ্চাশও যাচ্ছে না। মধ্য চল্লিশের আগে পুরুষরা যৌনক্ষমতা হারাচ্ছেন।

ডালমিয়া মেডিকেয়ারের রিপোর্ট অনুযায়ী, চল্লিশের আশপাশে বয়স এমন দু-লাখ পুরুষের মধ্যে ১৫%-ই কামশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। স্পার্ম কাউন্ট করতে গিয়ে দেখা গেছে, ৬৩ শতাংশ পুরুষের স্পার্মের সংখ্যা ১০ মিলিয়নেরও কম। যেখানে এখন সুস্থ স্বাভাবিক পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট হওয়া উচিত ৪০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন।

সমীক্ষক দলের প্রধান ডাক্তার সুনীত যাদব জানান, দিল্লির পুরুষদের মধ্যে টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও অস্বাভাবিক কম। দেখা গেছে, ৬০ শতাংশের বেশি পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন কম রয়েছে।
বর্তমান লাইফস্টাইলকেই এ জন্য দায়ী করছেন গবেষকরা। তাদের কথা অনুযায়ী, শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টির ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। প্রোটিন ছাড়াও ভিটামিন ও মিনারেলেরও ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

ঋতুস্রাবের সমস্যা ও সমাধান !

মে‌য়ে‌দের পি‌রিয়ড বা ঋতুস্রাবে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে অনেকেই বিষয়টিকে অবহেলা করে থ‌া‌কেন। তাই আজ ঋতুস্রাব বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হ‌লো।

প্রশ্ন : একজন মেয়ে হয়তো বুঝতেই পারছে না ঋতুস্রাবের সমস্যা হচ্ছে, এটি হয়তো পুষেই রাখছে। এই বিষয়গুলোতে আপনারা কীভাবে ব্যবস্থা নেন?

উত্তর : এ রকম রোগী আমরা অনেক সময় পাই, শেষ পর্যন্ত তাদের আসতেই হয়। অনেক সময় সে বুঝতে পারে না। তার টানা হয়তো ঋতুস্রাব হচ্ছে। সে হয়তো ভাবে এটি স্বাভাবিক, এটা হতেই পারে। সে কোনো গায়ে লাগাচ্ছে না। অথবা তার ঋতুস্রাব হচ্ছেই না, দিন দিন স্থূল হয়ে যাচ্ছে। তার মুখে ব্রণ উঠছে, ঋতুস্রাবের সমস্যা হচ্ছে, সে সেটাও বুঝতে পারছে না। হয়তো দেখা যায়, তার বিয়ের সময়

স্তনের আকর্ষণীয়তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান

একটি প্রশ্ন সেই প্রাচীনকাল থেকেই ঘুরছে মানুষের মনে। কিন্তু এর সঠিক উত্তর এখন পর্যন্ত মেলেনি বলেই মনে করেন বিজ্ঞানীরা। প্রশ্নটি হলো, নারীর সবচেয়ে নিখুঁত স্তনের আকার-আকৃতি কেমন হবে?

বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে এর জবাব খুঁজতে গবেষণা শুরু করে একদল বিজ্ঞানী। গবেষকরা ২০০ জন পুরুষকে বেছে নেন। তাদের কাছে বিভিন্ন আকৃতি ও আকারের স্তনের ছবি দেখানো হয়। সেখান থেকে তাদের পছন্দ জানতে চাওয়া হয়। প্রত্যেকটি ছবির স্তনযুগল কোমলতা, আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ছিল। পুরুষদের বেছে নেওয়া হয় ভিন্ন ভিন্ন দেশ থেকে।

গবেষণায় দেখা যায়, ব্রাজিল, ক্যামেরুন, চেক রিপাবলিক এবং নামিবিয়ার অধিকাংশ পুরুষ মাঝারি আকারের স্তন বেশি পছন্দ করেছেন। পছন্দের তালিকায় এর পরই রয়েছে

সিগা‌রেট আর পর্ন : একই রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি

পর্নো দেখা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর—এ কথাটি সরকারিভাবে ঘোষণা দেওয়ার দাবি তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের একজন আইনপ্রণেতা।
ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবার্ট জি মার্শাল নামের ওই আইনপ্রণেতা এ–সংক্রান্ত একটি বিলও অঙ্গরাজ্য আইনসভায় প্রস্তাব করেছেন।

প্রস্তাবে রবার্ট জি মার্শাল বলেন, পর্নোগ্রাফি নানা ধরনের সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে তরুণদের যৌন স্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফির কারণেই শিশু ও নারীরা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। আইনসভায় ১১ জানুয়ারি থেকে নতুন অধিবেশন শুরু হবে। এ অধিবেশনেই পর্নো দেখাকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।


রবার্ট জি মার্শাল বলেন, ১৯৬৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল লুথার এল টেরি ধূমপানের সঙ্গে রোগের সম্পর্ক খুঁজে বের করেন। সেই প্রতিবেদন তিনি ফেডারেল সরকারের কাছে জমা দেন। এরপরই ধূমপানকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ঠিক একইভাবে তিনি পর্নোগ্রাফিকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘এটাকে যদি সমস্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, তাহলেই একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর ভেতর থেকে তার সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।’
রবার্ট জি মার্শাল আরও বলেন, ‘পর্নোগ্রাফিতে নারীদের পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটা শেখায় যে নারীরা পণ্য আর পুরুষেরা সেই পণ্য ব্যবহার করে। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফি নারী ও শিশুদের পণ্য হিসেবে বিবেচনা করায় সমাজে ধর্ষণের মতো ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছে।’

প্রস্তাবে রবার্ট জি মার্শাল অবশ্য পর্নোগ্রাফি একদম বন্ধ করার কথা বলেননি। বরং এটা যে মহামারি আকার ধারণ করেছে, এ কারণে এ বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনের কথাও উল্লেখ করেছেন রিপাবলিকান পার্টির আইনপ্রণেতা মার্শাল।