বিবাহ করার নিয়ম: ইসলামী পদ্ধ‌তি‌তে

মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করার সাথে সাথে তার জীবন ধারণের জন্য কিছু চাহিদা দিয়েছেন এবং চাহিদা মিটানোর পদ্ধতিও বলে দিয়েছেন। মানব জীবনে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ন্যায় জৈবিক বা যৌন চাহিদা আরও বে‌শি গুরুত্বপূর্ণ। এই যৌন চাহিদা পূরণের জন্য ইসলাম বিবাহের বিধান দিয়েছে। একজন ছেলে ও একজন মেয়ের একসঙ্গে থাকা ও সম্পর্ক করার সামাজিক বৈধতার অপর নাম বিয়ে। বিয়ে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ন বিধান। একেক ধর্মে একেকভাবে বিয়ের নিয়ম প্রচ‌লিত রয়েছে। ইসলা‌মে বি‌য়ের মাসলা-মাসায়েল ব্যাপক।

"তোমরা তাদের অভিবাবকদের অনুমতিক্রমে তাদের বিয়ে করো, যথাযথভাবে তাদের মোহর প্রদান করো, যেন তারা বিয়ের দুর্গে সুরক্ষিত হয়ে থাকতে পারে এবং অবাধ যৌনচর্চা ও গোপন বন্ধুত্বে লিপ্ত হয়ে না পড়ে।" (সূরা

জন্ম‌নিয়ন্ত্রণ বা গর্ভনিরোধক পিলের ব্যবহার বিষয়ক জরুরী প্র‌শ্নোত্তর

নারীর জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার নাম হল গর্ভধারণ। এক্ষেত্রে অনেক সময়েই প্রয়োজন হয় জন্ম‌বির‌তিকরণ বা গর্ভনিয়ন্ত্রণের। আর গর্ভনিয়ন্ত্রণের জন্য নারীর একান্ত সঙ্গী কন্ট্রাসেপটিভ পিল; যা ব‌ড়ি হি‌সে‌বে অ‌ধিক প‌রি‌চিত। এই ধরণের পিল হল অত্যন্ত কার্যকরী গর্ভনিরোধক যাতে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন নামের দুটি হরমোন উপস্থিত থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্রমন্নতির ফলে নারীর যে কোন একান্ত সমস্যা এখন সমাধানযোগ্য।
অসুস্থতা একান্ত গোপনীয় হলেও সেটা অসুস্থতাই। সমস্যা বড় আকার ধারণ করার আগেই তার প্রতিকার করা জরুরী। তেম‌নি যে কোন সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াটাও জরুরী। নিজের এমন কোন সমস্যা থাকলে দেরী না করে আজই

নারীর মন বুঝ‌তে পারাতেই স্বার্থকতা!

জাতীয় ক‌বি কাজী নজরুল ইসলা‌মের ভাষায়,
"পৃ‌থিবীর যা কিছু মহান সৃ‌ষ্টি, চির কল্যাণকর;
অ‌র্ধেক তার ক‌রে‌ছে নারী, অ‌র্ধেক তার নর।"

নারী‌দের অ‌নেক অ‌নেক অবদান থাকা স্ব‌ত্বেও যুগে যু‌গে নারী‌দের অ‌ধিকার প্র‌তিষ্ঠার সংগ্রাম প্রায় সব মহল থে‌কেই হ‌য়ে‌ছে; এখনও হ‌চ্ছে। কিন্তু তা‌তে প্রশ্ন থে‌কে যায়, তা প্র‌তি‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে কতটুকু? ত‌বে এ‌ক্ষে‌ত্রে প্রথ‌মেই নারী‌দেরকে নিজ যোগ্যতাব‌লে পর‌শ্রীকাতরতা কা‌টি‌য়ে ও‌ঠতে স‌চেষ্ট হ‌তে হ‌বে। পাশাপা‌শি পুরুষতা‌ন্ত্রিক‌দের উ‌চিত তা‌দের কল্যানময় প‌থে প্র‌তিবন্ধকতার সৃ‌ষ্টি না করা। নারী‌দের বুঝ‌তে চেষ্টা করা ও তা বাস্তবতায় রূপদা‌নে সহ‌যো‌গিতায় এ‌গি‌য়ে আসা প্র‌ত্যেক পুরু‌ষের জন্য দা‌য়িত্বই নয়, কর্তব্যও ব‌টে।
রমণীদের মন বোঝার ম‌ধ্যে দাম্পত্য জীবন ও যৌন জীবন মধুর হয়। তেম‌নি প্র‌ত্যেক মে‌য়ে‌দের বুঝ‌তে পারার মা‌ঝেও র‌য়ে‌ছে মধুরতা।

পুরু‌ষের লি‌ঙ্গোত্থান জ‌নিত সমস্যা, কারণ ও প্র‌তিকার

বে‌শিরভাগ পুরুষদের ম‌ধ্যেই অনেক যৌন সমস্যা থাকে যেগুলোর জন্য জীবনের কোন না কোন সময়ে তাকে পীঁড়া দেয়। বি‌শেষত বিবা‌হিত জীব‌নে পদার্পণের পরই এসব সমস্যা প্রকট আকার ধারণ ক‌রে। এসব যৌন সমস্যার ম‌ধ্যে লিঙ্গোত্থান জনিত সমস্যা বা Erectile Dysfunction অন্যতম।
লিঙ্গ জনিত সমস্যার সমাধান সহজ ভাবেই করা সম্ভব। এর প্রধান কারণ সমূহ শারীরিক, মানসিক ও জীবন যাত্রার মানের উপর নির্ভরশীল। তাই একটু স‌চেতনতা আর প্রাথ‌মিক পর্যা‌য়ের যত্নই এই সমস্যা থে‌কে দূ‌রে রা‌খে।

জন্মতারিখ দি‌য়ে জেনে নিন আপনার যৌনভাগ্য

য‌দিও ধর্মীয়ভা‌বে অনুমান নির্ভরতা বা হাত দেখা নি‌ষিদ্ধ তবুও এসব বিশ্বাস না ক‌রে সৃ‌ষ্টিকর্তার উপর আস্থা রাখাই শ্রেয়। জন্মতারিখের বিচারেও ঠিক হয়ে আছে আপনার যৌনজীবন কেমন হবে। যেদিনই জন্মতারি‌খ হোক, তা যোগ করলে এক থেকে ৯ সংখ্যা হয়। এর উপরেই নির্ধারিত হয়ে আছে আপনার যৌনভাগ্য। তো চলুন দে‌খে নেয়া যাক আপনার যৌন অবস্থানঃ

কোনও মাসের ১, ১০, ১৯, ২৮ তারিখ যদি জন্মদিন হয়
সব সময়ে সব কিছুতেই নেতৃত্ব দিতে ভালবাসেন। খেলার মাঠ থেকে বিছানা— সব জায়গায়। যৌনতার সময়ে এঁরা সঙ্গীর

স্ত্রীর স্তন চোষা ও দুধ পান করা যাবে কি-না ?

পশ্চিমা অপসংস্কৃ‌তি আর নীল ছ‌বির ডামা‌ডো‌লের যাতাক‌লে পিষ্ঠ হ‌চ্ছে বৈধ ও সুস্থ্যধারার যৌনতা বা যৌন‌ক্রিয়া। বিজাতীয় সংস্কৃ‌তি ও যৌনচর্চার অনুকর‌ণে বর্তমান প্রজন্ম নতুন নতুন বিষ‌য়ের অবতারণা কর‌ছে। যার ফ‌লে ইসলাম প্রিয় কিছু মানুষ‌কে নতুনভা‌বে জান‌তে উৎসা‌হিত কর‌ছে সেক্স বা যৌনতা নি‌য়ে। যেটা ছিল অপ্রাস‌ঙ্গিক, সেই বিষয় আজ প্রাস‌ঙ্গিক। কতইনা অদ্ভুত ! সেইসব বিষ‌য়ের ম‌ধ্যে এক‌টি হ‌লো স্ত্রীর স্তন চোষা ও স্ত্রীর দুধ পান করা। স্তন লেহন বা চোষার ব্যাপা‌রে মত‌বি‌রোধ নগন্য হ‌লেও; স্ত্রীর স্ত‌নের দুধ পান করা নি‌য়ে র‌য়ে‌ছে বিরাট মতপার্থক্য। স্তন চোষা ও বু‌কের দুধ পান করা নি‌য়ে- অযা‌চিত মতপার্থক্যের ব্যাপা‌রে আমা‌দের করণীয় কি হ‌বে? তাই আজ জানা‌নো হ‌চ্ছেঃ
 

স্ত্রীর বু‌কের দুধপান ও স্তন চোষা ওরাল সেক্স অর্থাৎ মুখমেহনের

বীর্যপাত কি ? বা বীর্যস্খলন কা‌কে ব‌লে ?

যৌনতার প্রধান নিয়ামক হ‌চ্ছে বীর্য। আর এই বীর্য যখন নানান উপা‌য়ে বের করা হয় বা বের হয়; তখন তা‌কে বীর্যপাত বা বীর্যস্খলন বলা হয়। পুরু‌ষের বীর্যপাত বি‌ভিন্নভা‌বে হ‌য়ে থা‌কে। ত‌বে প্রধানত সেক্স বা যৌন মিলন ক‌রেই বীর্যপাত বে‌শি করা হয়। এছাড়াও হস্ত‌মৈথুনের মাধ্য‌মেও বীর্যপাত ঘটা‌নো যায়। আবার স্ব‌প্নেও বীর্য বের হয়; তখন সেটা স্বপ্নদোষ। কখনও কখনও সামান্য উ‌ত্তেজনাতেও আপনা আপ‌নিই বীর্যপাত ঘ‌টে।

প্র‌তিবার বী‌র্যপা‌তে নির্গত বী‌র্যের প‌রিমান

যৌন উ‌ত্তেজনার চুড়ান্ত পর্যা‌য়ে পুরুষাঙ্গ বা লিঙ্গ দি‌য়ে স‌বে‌গে যে তরল পদার্থ নির্গত হয়, সেই তরল পদার্থকে সাধারণ অ‌র্থে বীর্য বলা হয়। বীর্য হল অসচ্ছ, গাঢ়-সাদা ও পি‌চ্ছিল তরল পদার্থ যা বীর্যপা‌ত বা বীর্যস্খল‌নের সময় পুরুষাঙ্গের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত মুত্রনালীর মাধ্যমে শরীর থেকে বাহিরে নির্গত হয়। বীর্য বের করা বা বের হওয়া‌কে বীর্যপাত বলে।

শুক্র বীজ ব্যতীত অন্যান্য যেসব উপাদান বীর্যে পাওয়া যায়, তার ৯০%-ই তরল জল জাতীয় উপাদান। এছাড়াও বীর্যে থাকে সুগার বা গ্লুকোজ যা শুক্রাণুর কার্যকারিতা ও বলিষ্ঠতার জ্বালানি স্বরূপ। বীর্যে আরো থাকে ক্ষারীয় উপাদান। প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের কিছু পরিমাণ এনজাইম ও কিছুমাত্রায় ভিটামিন সি, কিঙ্ক এবং থাকে কোলেস্টেরল। দেহের বীর্য সংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি অন্যান্য দশবারোটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার মতোই সাধারণ।
অধিকাংশ বী‌র্যের তরলই প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড থেকে বের হয়। যার বেশি অংশই যৌন অনুভুতির সময় পুরুষ প্রজননতন্ত্রের নিঃসরন হতে সৃষ্ট।
৬৫% বীর্য- Seminal Vesicles দ্বারা উৎপাদিত।
৩০% থেকে ৩৫% বীর্য- মূত্রস্থলীর গ্রীবা সংলগ্ন গ্রন্থিবিশেষ থেকে সরবরাহকৃত।
৫% বীর্য- শুক্রাশয় এবং অন্ডকোষের epididymes নামক অংশ হতে সৃষ্ট।

বয়ঃসন্ধিকালেই বীর্যের বিকাশ বা উৎপাদ‌নের সূত্রপাত হয়। তাই এ সময়টা যৌনতায় বেশ ধৈর্য ও যত্নবান হ‌তে হয়। বয়ঃস‌ন্ধিকা‌লে বীর্য উৎপাদ‌নের প্র‌ক্রিয়া {প্রথম বীর্যস্খলনের পর (মাস) হিসা‌বে গড় পরিমাণ (মিলিমিটার)} হ‌লোঃ
০-৫ মা‌সে বীর্য উৎপাদ‌ন বা বিকা‌শের প‌রিমান ০.৫ মি.মি.। তেম‌নিভা‌বে, ৬-১১ মা‌সে ১.০ মি‌.মি. ১২-১৭ মা‌সে ২.৫ মি‌.মি. ১৮-২৩ মা‌সে ৩.০ মি‌.মি. এবং ২৪- পরবর্তী ৫ মাস ৩.৫ মি‌.মি. পরিমান বীর্য উৎপাদন হয়। যা পরবর্তী‌তে শারী‌রিক-মান‌সিক ও অপচয় বা বদঅভ্যা‌স গ্রহন বা বর্জন করার মাধ্য‌মে কম-বেশি হ‌য়ে থা‌কে।

বীর্যের পরিমাণঃ
উৎপাদিত বীর্যের পরিমাণ বীর্যপাতের সময় ভিন্ন ভিন্ন হয়। বি‌ভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে তা গড়ে ৩.৪ মিলিলিটার এবং সর্বোচ্চ ৪.৯৯ মিলি থেকে সর্বোনিম্ন ২.৩ মিলি হয়। সে হি‌সে‌বে প্রতিবার যৌনমিলনে সাধারণত ১ টেবিল চা-চামচের সামান্য বে‌শি পরিমাণ বীর্য বের হয়। তবে শারীর-বৃত্তীয় কোনো কার‌ণের জন্য বী‌র্যের পরিমাণ কম-বেশি হওয়ার ঘটনা খুবই স্বাভা‌বিক।

প্র‌তিবার বীর্যপা‌তে বয়স ভি‌ত্তিক বী‌র্যের প‌রিমানঃ
স্বাভাবিক বীর্যপা‌তে প্রতিবার বীর্যের পরিমান ৪ মি.লি. কম হ‌য়ে থা‌কে। ত‌বে এ কথা সত্য যে, বি‌ভিন্ন কার‌ণে বী‌র্যের প‌রিমান কম বে‌শিও হ‌য়ে থা‌কে। আবার একই দি‌নে একা‌ধিকবার বীর্যপাত বা বীর্যস্খল‌নে বী‌র্যের প‌রিমান অ‌নেক ক‌মে যায়। বয়‌সের উপর নির্ভর ক‌রে স্বাভা‌বিক বী‌র্যের প্রকৃত প‌রিমান নি‌চে দেয়া হ‌লোঃ

• ২০-৩০ বছর বয়সী পুরুষের বীর্যপা‌তে বীর্যের পরিমান প্রায় ৪ মি.লি.।
• ৩০-৫০ বছর বয়সী পুরুষের বীর্যপা‌তে বীর্যের পরিমান প্রায় ৩.৫ মি.লি.।
• ৫০-৭০ বছর বয়সী পুরুষের বীর্যপা‌তে বীর্যের পরিমান প্রায় ২ মি.লি.।
• ৭০ উর্দ্ধ পুরুষের বীর্যপা‌তে বীর্যের পরিমান ১ মি.লি. এর মত।

@ স্বাভাবিক বীর্যস্খল‌নে বীর্যের পরিমান কতটুকু? যৌন উদ্দীপনায় বী‌র্যের প‌রিমান, বীর্যস্খল‌নে বী‌র্যের পরিমাণ, বীর্য উন্নয়ন, বীর্য কি? সেক্স... প‌রিমান, বয়ঃসন্ধিকালে বী‌র্যের প‌রিমান, দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান, দ্রুত বীর্যপাত বা প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেন কি? দ্রুত বীর্যপাত কেন হয়? @ স্বাভাবিক বীর্যপা‌তে প্রতিবার বীর্যের পরিমান কতটুকু হয়? বী‌র্যের প‌রিমাপ, সহবা‌সে @বী‌র্যের স‌ঠিক প‌রিমান