ফোর‌প্লে কি? What is Foreplay

ফোরপ্লে (Foreplay) যৌনদীপ্ত আনন্দ ও প্রশা‌ন্তির জন্য খুবই জরুরী  এক‌টি বিষয়৷ প্রতিটি নারীর কাছেই এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ৷ ছে‌লে-‌মে‌য়ের প্রত্যেকেই চায় যৌনতা শুরুর আগেই অনা‌বিল সোহাগমাখা ভা‌লোবাসা৷ তাই বিবা‌হিত জীব‌নে ফোর‌প্লের গুরুত্ব অপ‌রিসীম। ফোর‌প্লের আর এক নাম হ‌লো "শৃঙ্গার"।

Foreplay কি?

যৌনতা মানে শুধুই দুই লিঙ্গের মিলন নয়। অর্থাৎ সে‌ক্সের আগে ও পরে অনেক আদর বা ছোঁয়া থাকে যা সঙ্গীর ভাল লাগা‌কে চরম সুখ ও আন‌ন্দের পর্যা‌য়ে নি‌য়ে যায়। আর এসব আদর-‌সোহাগ বা ছোঁয়া‌কেই Foreplay বলা হয়। অর্থাৎ যৌন মিল‌নের আগে সারা দেহে আদর, চুমু, লিপ কিস, স্তন চোষা ও আল‌তো ক‌রে

সঙ্গী যখন যৌনতায় ‘দুর্বল’

আবেগঘন সন্ধ্যা, একসঙ্গে সিনেমা দেখা, ছুটির দিনে ঘুরতে যাওয়া— বিবাহিত জীবনের সবকিছুই চলছে ঠিক যেমনটা আশা করেছিলেন।

তবে রাতের ওই বিশেষ সময়টা কি হতাশাজনক? সবকিছু যেন চোখের পলকেই ফুরিয়ে গেল? ভেঙে পড়বেন না। কারণ অন্য সবকিছুর মতো যৌনমিলনেও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইট জানিয়েছে পরিস্থিতি অনুকূলে আনার কিছু উপায়।

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায় কী?

নিয়মিত হস্তমৈথুন শরীরের জন্য ভালো! এই ধারণা অজ্ঞতা ছাড়া কিছুই নয়। তবে এটা খুব বেশি করলে এবং সেই অনুপাতে শরীরের যত্ন না নিলে শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্লান্তি আসবেই। এটা যাতে নেশায় পরিনত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাদের কাছে এটা নেশার মত মনে হয়, এবং মনে প্রাণে কমিয়ে দিতে চাইছেন, তাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করণীয় হতে পারে-

১. মনে রাখবেন আপনি মানুষ। আর মানুষ মাত্রই ভুল করে। এটা করে ফেলার পর যদি মনে করেন ভুল হয়ে গেছে, তো সেজন্য অনুশোচনা করবেন। নিজেকে শাস্তি দেবেন না। বরং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন যাতে ভবিষ্যতে মন শক্ত রাখতে পারেন। কখ‌নো এমন না হয়।

২. যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন।
যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইব বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন।
কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন।
কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাৎ কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লেগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। অথবা কোন পাব‌লিক প্লে‌সে চ‌লে যান। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন।
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। সব সময় কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকুন। আগে থেকে সারাদিনের শিডিউল ঠিক করে রাখুন। তারপর একের পর এক কাজ করে যান। হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসবে না।
যারা একা একা সময় বেশি কাটায়, যাদের বন্ধুবান্ধব কম, দেখা গেছে তারাই ঘনঘন হস্তমৈথুন বেশি করে। একা একা না থেকে বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটান। একা একা টিভি না দেখে বন্ধুদের সাথে কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব না থাকলে ঘরে বসে না থেকে পাবলিক প্লেসে বেশি সময় কাটান।

সর্বপ‌রি ধর্মকর্ম নিয়‌মিত পালন করুন।

অসাবধানতাই গর্ভধারণের মূল কারণ!

গর্ভধারণ রোধ করার জন্য অনেক ধরনের প্রতিরোধক পাওয়া যায়। সেগুলোর অকার্যকারিতার হার খুবই নগণ্য। তবে অসাবধান হলে সে প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে যেতে পারে। গর্ভধারণ করলে সে এবং তার সঙ্গীর জন্য খুব আনন্দদায়ক একটি ঘটনা। তবে, এ কথাটা সব সময় সত্য না।
জীবনযাপনবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি শিশুকে পৃথিবীতে আনার আগে তার উপযোগী একটি জীবন তৈরি করা জরুরি। সবসময় বাবা-মা একটি শিশুর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। এরকম অপরিকল্পিত গর্ভধারণ সমস্যা সৃষ্টি করে।
পরিবার পরিকল্পনার জন্য নেওয়া ব্যবস্থাগুলোতে সমস্যা থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন অপরিকল্পিত গর্ভধারণের জন্য যতটা না প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোর অক্ষমতা দায়ী থাকে তারচেয়ে অনেক বেশি থাকে ব্যবহারকারীদের অজ্ঞতা এবং অসাবধানতা।
একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যত শিশু হয় তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক সংখ্যক শিশুই অপরিকল্পিত গর্ভ ধারনের ফলে জন্মায়। কীভাবে অপরিকল্পিত গর্ভধারণ ঘটে এবং কী ধরণের সচেতনতা গ্রহণ করলে এ সমস্যা রোধ করা যায় তা জানিয়েছে চিকিৎসাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট—
আমেরিকার অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কলেজ অফ মেডিসিনের ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা বিষয়ক প্রফেসর সিভন ডলান জানান, কোনো নারীর যদি রজোনিবৃত্তি (মেনোপজ) না হয়ে থাকে তবে তার সন্তান ধারনের সম্ভাবনা থেকেই যায়।
ডলানের মতে, “গর্ভধারণ রোধের শতভাগ সুরক্ষিত কোনো উপায় নেই।”
অনেক সময়ই গর্ভধারণ রোধের সুরক্ষা পদ্ধতি বিফল হয়। তখন অপরিকল্পিত গর্ভধারণ ঘটতে পারে। পিল, কনডম, ইন্ট্রাউটারিন ডিভাইজেজ (IUDs) ধরনের ব্যবস্থাপনা ৮০ বা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে পারে। অন্যান্য স্থায়ী ব্যবস্থা যেমন নারীর ‘স্টেরলাজেইশন’ ও পুরুষের ক্ষেত্রে ‘ভ্যাসেকটমি’ বা বন্ধ্যকরনের মাধ্যমে সেটা বিফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদিও এই সম্ভাবনা শতকরা এক শতাংশেরও কম তাও সম্ভাবনা থেকেই যায়।
যদি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সঠিক না হয় তবে গর্ভধারণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কখনও কনডম ফেটে যেতে পারে সেক্ষেত্রে জন্ম নিয়ন্ত্রণের দ্বিতীয় ধাপ নেওয়া আবশ্যক। যা হচ্ছে জন্মনিরোধক জরুরি অবস্থায় নেওয়া বড়ি। এই পিলগুলো অরক্ষিত যৌন সম্পর্কের পরদিন সকাল থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত খাওয়া যায়। জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য খাওয়া প্রাত্যহিক বড়ি খেতে ভুলে গেলেও এই জরুরি বড়ি খাওয়া যেতে পারে।
অপরিকল্পিত গর্ভধারণের আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে অকার্যকর জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
আমেরিকার উইমেন অ্যান্ড ইনফ্যান্টস হসপিটাল অফ রোড আইল্যান্ডের ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা বিভাগের প্রধান চিকিৎসক মৌরিন ফিপ্স বলেন, “অনেক মহিলাই নিয়মিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন না। কেউ কেউ তো মোটেই করেন না।”
এর কারণ হিসেবে তিনি চিহ্নিত করেন, অনেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিগুলো পছন্দ করেন না। অনেকেরই সেগুলো পাওয়ার সাধ্য নেই। কখনও পুরুষ সঙ্গীও এটাকে অপছন্দ করতে পারেন।
ফিপ্স বলেন, “অনেক সময় এমন হয়- দম্পতি মনস্থির করে উঠতে পারেন না যে তারা আদৌ সন্তান নেবেন কিনা!”
“তারা হয়ত সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করেননি তবে তারা গর্ভধারণ এড়ানোর বিষয়েও তেমন সচেতন না।”
ফলে একসময় স্ত্রী বা নারী সঙ্গী গর্ভধারণ করে ফেলেন।
কিছু মহিলা গর্ভধারণের বিষয়ে সচেতন না। এর কারণ হতে পারে অতীতে তাদের গর্ভধারণে অসুবিধা হয়ে ছিল এবং তারা সাময়িক বন্ধ্যত্বের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। অথবা অনিয়মিত মাসিক কিংবা মেনোপজের আগের অনিয়মিত মাসিকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায়ও কেউ কী গর্ভধারণ করে ফেলেন যেটা সম্পর্কে আসলে তিনি আগে সচেতন ছিলেন না।
ডলান বলেন, “যদি মাসিক অনিয়মিতভাবেও হতে থাকে তবুও জন্ম বিরতিকরণ পদ্ধতিকে অবহেলা করা যাবে না।”
তিনি আরও জানান, একবার পুরোপুরি রজোনিবৃত্তি হয়ে গেলে অর্থাৎ একটা পুরো বছর মাসিক না হলে এটাকে ‘রজো-বন্ধ’ বা মেনোপজ বলা যায়। তখন কোনো জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ না করলেও গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকে না। তারপরেও যৌন সংক্রামণ রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হলে কোনো না কোনো সুরক্ষা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।
সাধারণত জন্মনিরোধক পদ্ধতিগুলোর অক্ষমতার হার ১০ শতাংশের মতো হলেও জন্ম নেওয়া শিশুর মধ্যে প্রায় অর্ধেক পরিকল্পনার বহির্ভূত হওয়ার আরও একটি কারণ হল, সঠিকভাবে পদ্ধতিগুলো ব্যবহার না করা।
বহুল ব্যবহৃত এবং মোটামুটি সবার জন্য নিরাপদ জন্মনিরোধক পদ্ধতি হল কনডম। তবে কনডম ফেটে অঘটন হওয়ার বিষয়েও সচেতন হতে হবে। জানিয়েছে কনডম উৎপাদন ও বিক্রয় করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান।
তাদের মতে, “সঠিকভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করলে দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।”
অন্য সব জিনিসের মতো কনডমেরও একটি মেয়াদ উত্তীর্ণের দিন থাকে এবং প্রতিটি প্যাকেটের গায়ে ব্যবহার বিধি লেখা থাকে। এই দুই বিষয়ে মনোযোগী হওয়া দরকার।
একবার সঙ্গমের পরে অবস্থান পরিবর্তন করে আবার মিলিত হলেও কনডম বদলে ফেলা উচিত। না হলে সেটা কার্যকারিতা হারাতে পারে।
সাধারণত সব কনডমেই লুব্রিকেন্ট বা পিচ্ছিলকারক পদার্থ লাগানো থাকে। তবে এরপরেও যদি কেউ আলাদা পিচ্ছিল কারক পদার্থ ব্যবহার করতে চান তাহলে নির্দিষ্ট কনডম কেমন পদার্থ গ্রহণ করে এই বিষয়ে আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
কনডম ফেটে যাওয়ার একটা উল্লেখযোগ্য কারণ হল এর শীর্ষে থাকা বাতাস। তাই কনডম প্যাকেট থেকে বের করার পরে আর শীর্ষের বাতাস আলতো চেপে বের করে ফেলতে হবে এরপর আস্তে আস্তে কনডম খুলে বের করতে হবে।
অনেক সময় ফয়েল প্যাকেট ছেঁড়ার সময় বা হাতের নখে বা আংটিতে লেগে কনডম ছিঁড়ে যায় বা ফুটা হয়ে যেতে পারে যেটা প্রায় কেউই লক্ষ করেন না। এই বিষয়েও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
কনডম প্যাকেট থেকে বের করার পর সেটা যদি আঠালো বা ভঙ্গুর মনে হয় এর অর্থ এটির কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এমন কনডম ব্যবহার না করার পরামর্শই দেন উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো।

অন্ধকারে থাকলে কী যৌন চাহিদা কমে?

আলো-আধা অন্ধকার মানেই সঙ্গিনীর শরীর ছোঁয়ার ইচ্ছা, গাঢ় আলিঙ্গণ বা  আরও বেশি কিছু…। আর ঝকঝকে দিনের আলো মানেই যৌনতাহীন কর্মব্যস্ত জীবন, এই ধারণা এবার বদলাতে চলেছে। অন্তত গবেষণা তেমনই বলছে।

ইটালির গবেষকদের দাবি, টানা দু’সপ্তাহের প্রতিদিন অন্ধকারে ডিজিটাল গ্যাজেটের সামনে বসে কাজ করলে যৌন বাসনা কমে যায়। এই সমস্যায় ভুগছে বিশ্বের প্রায় সমস্ত প্রযুক্তি

পিরিয়ডের ব্যথা কমা‌নোর উপায়

মাসের বিশেষ সময়ের কিছুদিন আগে ও ওই সময়ের শুরুর দিনগুলো পেট ও পিঠ ব্যথায় নাজেহাল হতে হয় অনেককেই। তাই জানা থাকা চাই নিস্তার পাওয়ার কিছু উপায়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে পিরিয়ডের কারণে হওয়া পেট ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া উপায় তুলে ধরা হয়। তাই ব্যথা হলেই ব্যথানাশক ওষুধ না খেয়ে এমন ঘরোয়া সমাধানগুলো অনুসরণ করা বেশি উপকারী। এতে স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হওয়ারও ঝুঁকি থাকে না।
গরম ভাপ: পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত ব্যথা হলে ‘হট ওয়াটার ব্যাগ’য়ে গরম পানি ভরে তলপেটে চেপে রাখা যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে পানির তাপমাত্রা যেন সহনীয় হয়। গরম ভাপ দেওয়ার ফলে ব্যথা কিছুটা কমে আসবে। কারণ গরম ভাপ ইউট্রাসের পেশিগুলো শিথিল করে ব্যথা কমাতে সহায়তা করে।
আদা: ব্যথা কমাতে আদা চা পান করা বেশ উপকারী। নিজের জন্য বেশি পরিমাণে আদা দিয়ে ক্যামোমাইল চা তৈরি করে পান করতে পারেন। আদা প্রোস্টাগ্লান্ডিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং ক্যামোমাইল ব্যথা উপশমে সহায়ক। ব্যথানাশক হিসেবে এই চা বেশ উপযোগী।
মৌরি: এই দানাদার মসলাতে রয়েছে ‘অ্যান্টিসপাসমডিক’ এবং ‘অ্যান্টিইনফ্লামাটরি’ উপাদান, যা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ব্যথা বাড়লেই অল্প করে মুখে দিয়ে চাবিয়ে নিতে পারেন অথবা পানিতে ফুটিয়ে অল্প করে চায়ের মতো পান করলেও উপকার পাওয়া যায়।
দারুচিনি: পিরিয়ডের সময় জমাট বাঁধা রক্তপাতের কারণে ব্যথা ও অস্বস্তি বৃদ্ধি পায়। দারুচিনিতে রয়েছে আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়াম। খানিকটা পানিতে আধা চা-চামচ দারুচিনি গুলে রেখে দিন। কিছুক্ষণ পর পর অল্প করে পান করতে হবে।
এড়িয়ে চলুন কফি: পিরিয়ড চলাকালে উষ্ণ পাণীয় পান করা উপকারী হলেও কফির ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম। শুধু কফি নয় ক্যাফেইন সমৃদ্ধ যে কোনো পানীয়ই এই সময় এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ ক্যাফেইন রক্ত চলাচলে ব্যঘাত ঘটায়। ফলে ব্যথা বৃদ্ধি পেতে পারে।
অর্গাজম: পিরিয়ড চলাকালে শারীরিক মিলন নিয়ে দ্বিধায় থাকেন বেশিরভাগ নারী। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে অর্গাজম পিরিয়ডের ব্যথা কমিয়ে আনতে সহায়ক। কারণ এতে ভালোলাগার অনুভূতি তৈরি হবে এবং ইউট্রাসে রক্তচলাচলও বৃদ্ধি পাবে। এতে ব্যথা কমে আসবে।

দুধ ছাড়া ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণের উপায়

ল্যাকটোজে অ্যালার্জি থাকে অনেকেরই ৷ অনেকেই আবার দুধ খেতে পছন্দ করেন না ৷ কিন্তু দুধে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম ৷ যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনী ৷ হাড়, দাঁত শক্ত করতে সাহায্য করে ক্যালসিয়াম ৷ তাই দুধ না খেলেও অন্য যেসব উপায়ে ক্যালসিয়াম পেতে পারেন তা আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন-
১। বিনস-
যে কোনও ধরণের বিন জাতীয় সবজি খান ৷ এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে ৷
২। মাছ-
প্রধানত স্যামন ও সার্ডিন জাতীয় মাছে ক্যালসিয়াম থাকে ৷
৩। আমন্ড-
ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি এতে প্রচুর প্রোটিনও থাকে ৷ প্রতিদিন এক গ্লাস করে আমন্ড দুধ আপনার জন্য খুবই উপকারী ৷
৪। ওটমিল-
ব্রেকফাস্টে ওটমিল খান ৷ খুব বেশি পরিমাণে না হলেও ওটমিলেও ক্যালসিয়াম থাকে ৷
৫। কমলালেবু-
ভিটামিন সি আর ক্যালসিয়ামের দুর্দান্ত কম্বিনেশন হল কমলালেবু ৷
৬। সবুজ শাক-সবজি-
বেশিরভাগ সবুজ শাত-সব্জিতেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ৷
৭। ভিটামিন ডি-
ভিটামিন ডি-এর অভাবে ক্যালসিয়াম কাজ করে না আমাদের শরীরে ৷ তাই ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং সূর্যালোকে বের হওয়া খুব দরকার ৷

ধূমপান যৌন জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়

আমরা সবাই সিগারেটের প্যাকেটের ওপর সাধারণত একটাই ট্যাগ লাইন দেখতে পাই ‘সিগারেট খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর’, কিন্তু আপনি কি জানেন যে সিগারেট খাওয়া শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকেই ক্ষতি করে না, আপনার যৌন জীবনেও আঘাত হানে৷
চিকিৎ সকরা জানাচ্ছেন, ধূমপান আমাদের রক্ত প্রবাহে ভীষণ চাপ সৃষ্টি করে এবং যার ফলে পুরুষদের ঋজুভাবকে ক্ষতি করে৷ তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই যৌন জীবনকে ক্ষতি করে বিষণ্ণতার ও মানসিক রোগগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
সিগারেটের মধ্যে থাকা নিকোটিন শরীরের ধমনীর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি অ্যাসিড জমায়েত করে৷ ফলে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহকে প্রায় বন্ধ করে৷ তাই দ্বিতীয়বার সিগারেট ধরানোর আগে এটাও ভেবে রাখুন যে, এই ধূমপান আপনার যৌনতার উত্তেজনাকেও কেড়ে নিতে পারে৷
অন্যদিকে, ধূমপান রক্তের মধ্যে কার্বনমোনক্সাইডের মান বাড়িয়ে দিয়ে সেক্স হরমোন টেসটস্টেরন লেভেলকে সৃষ্টি হওয়ার থেকে বিরত করে৷ তাই ধূমপান শুধুমাত্র স্ট্রোক, ক্যানসারের কারণ নয়, তা আপনাদের যৌন জীবনের আনন্দও কেড়ে নিয়ে আপনার জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।