মিলনের পর যে কাজগুলো নারীরা ক‌রে

কিছুক্ষণ আগে কী হলো তা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলে! তখন তো দুইজনেই উন্মত্ত ছিলেন! অতএব, কীভাবে ব্যাপারটা হয়ে গেল, তা টের পাওয়া বেশ মুশকিলের! কিন্তু, তারপর? সেক্স হয়ে গেলে সাধারণত নারীরা সাধারণত কিছু কাজ না করে থাকতেই পারেন না।
পাঠকদের জন্য সেই বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:
১. কতক্ষণ হলো :
শোনা যায়, সেক্স হয়ে যাওয়ার পরেই না কি সবার আগে ঘড়ি দেখেন নারীরা! কারণ তো স্পষ্ট- মিলিয়ে দেখে নেওয়া এবার কতক্ষণ সময় লাগলো! বেশি সময় লাগলে বেশি তৃপ্তি, অন্যথায় খুঁতখুঁতুনি!
২. কনডমটা ছিঁড়েছে কিনা:
পুরুষরা যখন কাজকর্ম সেরে আবেশে বিভোর, নারীরা তখন চুপিসাড়ে একবার দেখে নেন ফেলে দেওয়া কনডমটা- ওটা ছিঁড়ে যায়নি তো! বিস্তারিত বলার দরকার নেই- কেন তারা এরকম করে থাকেন! গর্ভবতী হয়ে পড়লে তো তাদেরই চাপ বেশি!
৩. বক্ষে তৃষ্ণা:
এক তৃষ্ণা মেটার পরেই অন্য তৃষ্ণা নিবারণে না কি ব্যস্ত হয়ে পড়েন নারীরা! সাধারণত তাদের উন্মাদের মতো ঢকঢক করে জল খেতে দেখা যায়! যারা ধূমপান করেন, তারা তাড়াতাড়ি ধরিয়ে ফেলেন একটা সিগারেট!
৪. এক কোণে গুটিসুটি:
যদি কোনো কারণে বিছানার চাদরটা নোংরা হয়ে যায় এবং পালটানোর ইচ্ছা না থাকে, তবে নারীরা বিছানার এক কোণে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে থাকেন। একটু আগেই ওই চাদরে গড়াগড়ি খেলেও এখন এড়িয়ে যান!
৫. চুল নিয়ে চুলবুল:
সেক্স হয়ে যাওয়ার পর সব নারীই নিজেদের চুলের দিকে একবার তাকান! যতটা পারেন, এলোমেলো চুল গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন!
৬. ফোনে সময় দেওয়া:
যাদের তাড়াহুড়ো থাকে, তারা সেক্সের পরেই সবার আগে ফোনের দিকে হাত বাড়ান! বেশির ভাগ সময়েই দেখা যায়- তারা বাড়িতে ফোন করছেন!
৭. মিরর মিরর অন দ্য ওয়াল:
সেক্সের পরে অনেক নারীই আয়নায় একবার নিজের নগ্ন শরীরটা দেখে নেন! বুঝে নিতে চান- সঙ্গীর পক্ষে তিনি পর্যাপ্ত পরিমাণে আকর্ষণীয় কি না!
৮. স্বামীসঙ্গ: শিশুরা যেমন মা‌য়ের কোল খুঁ‌জে ফে‌রে; ঠিক তেম‌নি, মিল‌নের পর মে‌য়েরাও স্বামীসঙ্গ পে‌তে বু‌কে বা কোল জ‌ড়ি‌য়ে থা‌কে।

৯. অন্তর্বাসের খোঁজ:
সবার শেষে নারীরা হাত বাড়ান অন্তর্বাসের দিকে! পুরুষটিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেই চলতে থাকে ঘরের এখানে-ওখানে অন্তর্বাসের খোঁজ!
যদিও তারা যে এমনটা করেন সঙ্গীকে ফেলে রেখে, এটা অনেক নারীই স্বীকার করতে চান না!

বাচ্চা নেয়ার আদর্শ বয়স কত? জে‌নে নিন।

২০ থেকে ২৪ বছরটা পার করে মা হওয়াই শ্রেয়। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সে মা হলে মাঝ বয়সে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। প্রথমবার মা হওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়, ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়স।
মা হওয়া কি মুখের কথা? কিন্তু মা হওয়ার পরও তো একটা জীবন আছে। আর সেই জীবনটা সুস্থ্য কাটাতে প্রথম সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য একটু সময় দেওয়াই ভালো। খুব দেরি না করলেও কমপক্ষে ২০ থেকে ২৪ বছরটা পার করে মা হওয়াই শ্রেয়। এমনটাই বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা।
সেই গবেষণায় দেখা যাচ্ছে- ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সে মা হলে মাঝ বয়সে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সকলের জন্যই এটা সত্যি না হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটা লক্ষ্য করা গেছে। তবে গবেষণা একটা কথা পরিষ্কার বলছে, মহিলাদের মাঝ বয়সের স্বাস্থ্য নির্ভর করে তাদের বৈবাহিক জীবনের ওপর এবং তারা কবে প্রথম সন্তানের জন্ম দিলেন।
গবেষণা বলছে, যৌবনের সন্ধিক্ষণে মা হওয়া বরং কম ঝুঁকির। টিন এজে মানে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সে যাঁরা প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তাদের তুলনায় ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সে প্রথমবার মা হওয়া মহিলারা মাঝ বয়সে বেশি সমস্যায় প‌ড়েন।
নিউ ইয়র্কের ওই সমীক্ষা নিয়ে আমেরিকার ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে ক্রিস্টি উইলিয়ামস বলেন, এতকাল খালি ভাবা হত নাবালিকারা মা হলে তাদের স্বাস্থ্য কেমন হবে তা নিয়ে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তাদের থেকেও বিপদ বেশি সদ্য যৌবনপ্রাপ্তাদের।
সমীক্ষার বক্তব্য অনুযায়ী মাঝ বয়সে সুস্থ সবল থাকতে হলে প্রথমবার মা হওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়, ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়স। আর ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

লিঙ্গের আকার পরিবর্তন করা যায় কি? আকাঙ্খা, বাস্তবতা ও করনীয়

যদি কাউকে প্রশ্ন করা হয় – আপনি কি আপনার লিঙ্গ লম্বা করতে চান ? প্রায় সবাই উত্তরে বলবে “অবশ্যই চাই!”
যাই হোক, প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটাও ভাল ফলাফল/আবিষ্কার হয়নি।
তবে এটা সত্য যে – প্র‌তি‌দি‌নের বিভিন্ন খাবার, বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন মানুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের সবটিই হয়তো কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষ লিঙ্গোত্থান সমস্যাসহ নানাবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হন।
কত ছোটকে ছোট বলবেন?
প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত লিঙ্গের গড় আকার ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। আমাদের দেশ তথা দক্ষিন এশিয়ার পুরুষের জন্য সর্বোচ্চ ৬ ইঞ্চি একটি ভাল আকার। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। ঔষধ শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশনসহ নানা রোগের কারণে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।
ধারনা সমুহঃ
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যায়। তবে মনে রাখবেন ইসলামের বিধি বিধান হ‌লো- হস্তমৈথুন করা মহা পাপ। আসলে লিঙ্গ প্রাকিৃতিকভাবে ছোট বা বড় হয়ে যেতে পারেনা।
অনেক পুরুষ কিংবা নারী পর্ন ফিল্ম দেখে লিঙ্গের আকার এবং মিলনের সময় নিয়ে নিজের মধ্যে একপ্রকার নেগেটিভ ধারণা করে রাখে। সত্যিকার অর্থে ছবিতে নায়ক তারাই হয় যারা অন্যদের তুলনায় হ্যান্ডসাম হয়। পর্নষ্টারও তার ব্যতিক্রম নয়। পর্নগ্রাফিতে ক্যামেরা এমন এঙ্গেল এ ধরা হয় যাতে ভিজ্যুয়ালী লিঙ্গকে বড় দেখা যায়। উদাহরণ স্বরুপ আপনি যদি কোন একটি উচু স্থানে থেকে নিচে দাঁড়ানো আপনার কোন বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে তাকে খাটো দেখাবে। তেমনি যদি আপনি মাটিতে বসে কিছুটা উপরে দাঁড়ানো অবস্থায় আপনার বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে একই ব্যাক্তিকে অনেক লম্বা দেখাবে। আর সে জন্যই আমরা যখন মাথা নিচু করে আমাদের নিজের লিঙ্গ দেখতে যাই তখন ভিজ্যুয়াল ইল্যুশানের কারনে আমাদের লিঙ্গের আকার প্রকৃত আকারের চেয়ে ছোট দেখা যায়।
এখানে এ বিষয়টি বলে রাখতে চাই – পর্ন ফিল্মে আমরা দেখি একই যুগল ২০/২৫ মিনিট মিলন করছেন। সত্যিকার অর্থে তাদের এই ২০ মিনিট এর মিলন দৃশ্যের শুটিং হয়েছে ২/৩ দিন ধরে। তাদের অনেকবারের মিলনের দৃষ্টিনন্দন অংশগুলো ভিডিও এ্যাডিটে কাট-ছাট করে একটি ক্লিপ বাজারে আসে। তাই পর্ন ফিল্ম দেখে আকার এবং মিলনের সময় নিয়ে আমাদের হতাশ হবার অবকাশ নেই।
যৌন তৃপ্তির জন্য আকার মুল বিষয় নয়। প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মিলনে এবং সিঙারে আপনার কারুময়তা। আপনি যত বেশি সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে নারীকে “অন” করবেন সে তত বেশি আপনার পার্সোনালিটির প্রতি আবেগী হবে।

নারী ফ্যানদের বলছি: নারীর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল– মিলনকালে পেনিট্রেশান (যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করানো) থেকে সর্ব আনন্দ নিতে হবে তা নয় (শুধু পেনিট্রেশানে কোন পুরুষই নারীকে তৃপ্ত করতে পরেনা) বরং সিঙার (ফোর প্লে) বস্ত্র হরণসহ সকল বিষয়ের সংমিশ্রণে যৌন মিলনেরে যে প্যাকেজ তা থেকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি অর্জন সম্ভব। এর জন্য আপনার সঙ্গীর ভাললাগা, তার শরীরের কোন অংশ অতি সংবেদনশীল তা আবিষ্কার করা, যৌন আসনের পরিবর্তন করে যে আসন সর্বোচ্চ কার্যকর তা জানার পর যে কোন যুগল সহজে তাদের কাম আগুন নিভাতে সক্ষম হবেন। তাই সম্পর্ক যত পুরোনো– পূর্ণতৃপ্তির পরিমানও বেশি হয়। যৌনমিলন একটি শিল্প – এটা রপ্ত করুন। আপনার নিজের জন্য এবং আপনার সঙ্গীর জন্য।
কিছু পদ্ধতি এবং তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ
শরীরের মেদ কমানোঃ “অনেক পুরুষ যারা ভাবে তাদের পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট – তাদের মেদ সমস্যা আছে” – জেনিফার বর্মন, এমডি, ইউরোলজিষ্ট।
পুরুষের মেদ বাড়ার সাথে সাথে শরীরের ওজন কমালে তলপেটে লুকিয়ে থাকা আপনার লিঙ্গ কিছুটা বড় দেখাবে তবে এটি আপনার লিঙ্গের প্রাকৃতিক আকারকে পরিবর্তন করবে না।
ভ্যাকুয়াম পাম্পঃ এটি একটি সিলিন্ডারের মত যন্ত্র যা হাওয়া টেনে নেয়। এটি লিঙ্গে স্থাপন করে হাওয়া টেনে লিঙ্গের ভিতর অতিরিক্ত রক্ত জমা করে এবং তার পর একটি রিং দিয়ে লিঙ্গের গোড়ার দিকে বেধেঁ দেওয়া হয় যাতে রক্ত শরীরে ফিরত না যেতে পারে। এর ফলাফল শুধু মাত্র রিংটি খুলে পেলার আগ পর্যন্ত থাকে। এটি যদি ২০ থেকে ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয় তাহলে লিঙ্গের টিস্যু নষ্ট হয়ে যাবার প্রচুর সম্ভাবনা থাকে। ভ্যাকুয়াম পাম্প ব্যাবহার করা ঠিক নয়।
লিঙ্গের সাথে ওজন ঝুলানোঃ এই পদ্ধতি লিঙ্গের তত একটা আকার পরিবর্তন করেনা – কারন এটি কোন পেশী নয়। তবে এ পদ্ধতিতে আপনি প্রতিদিন ৮ ঘন্টা করে ৬ মাস ওজন বেধে রাখলে আধা ইঞ্চির মত আকার বাড়বে। সাথে টিস্যু ছিড়ে যাবার সম্ভাবনা সহ রক্ত প্রবাহী শিরা নানাবিধ সমস্যার সম্মুক্ষীণ হতে পারে। লিঙ্গের সাথে ওজন ঝুলানো ঠিক নয়।
এতক্ষণ যা শুনলেন তাতে হয়তো অনেকে হতাশ হয়ে গেছেন। না হতাশ হবার কিছু নেই। শোনা যায়, হোমিওপ্যাথিতে এর চিকিৎসা আছে । এ ওষুধ ব্যবহার করলে আধা ইঞ্চি থেকে এক ইঞ্চির মত পে‌নি‌সের আকার বাড়বে!
স্বীকৃত একমাত্র ন্যাচারাল পেনিস ইনলার্জমেন্ট ফর্মূলা। যাদের পুরুষাঙ্গের সাইজ ছোট ও চিকন এই থেরাপিটি সঠিক ভাবে টানা 2-3 মাস নিয়মিত গ্রহন করলে তাদের পুরুষাঙ্গের সাইজ যথেষ্ট লম্বা ও মোটা করা সম্ভব। এবং পাশাপাশি ইরেকশন ও বীর্যপাতের কিছু সময় তো পদ্ধতিটি সম্পূর্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। তবে হ্যা শুধুমাত্র যাদের পুরুষাঙ্গ ছোট অথবা পূর্বের চাইতে যাদের সাইজ ছোট হয়ে গেছে অথবা সঠিক ভাবে পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়না তারা এই সার্ভিসটি নিতে পারেন।

সন্তান নিতে চাইলে অবশ্যই এ খাবারগু‌লি খে‌তে হ‌বে

সন্তান নিতে চাইছেন কিন্তু হচ্ছে না? নারী-পুরুষ উভয়েই নিজের নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো। এই ৭টি খাবার নারীর উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং নারীকে গর্ভবতী হতে সহায়তা করে। পাশাপাশি পুরুষের জন্য সুস্থ্য ও উর্বর বীর্য উৎপাদন করবে।
কলা :
সুপারফুড কলায় আছে ভিটামিন বি-৬ ছাড়াও আরও বেশ কিছু চমৎকার উপাদান, যা নারীদের মিন্সট্রেশন নিয়মিত রাখে।
বাদাম :
পুরুষের শুক্রানুর মান উন্নত করতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে হরেক রকমের বাদাম- (Nuts).
অলিভ ওয়েল :
নিজেদের খাবারে তেল Oil বা ঘি এর বদলে আজ থেকেই শুরু করে দিন অলিভ ওয়েলের (Olive Oil) ব্যবহার।
সূর্যমুখীর তেল :
এতে আছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই, যা উর্বরতা বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত সহায়ক। রান্নায় ব্যবহার করুন।
অ্যাভোকাডো :
শত গুণে ভরপুর এই ফলটি কেবল মজাদারই নয়, বরং উর্বরতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক।
আদা :
আদা (Ginger) যে কোন রূপেই পুরুষের উর্বরতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক। নারীরা অধিক উপকারিতা পেতে রোজ দুই কাপ পর্যন্ত আদা চা পান করুন মধু মিশিয়ে।
ফ্লাক্স ওয়েল :
এটা আরেকটি উপকারী তেল, যাতে আছে প্রচুর অমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। প্রতিদিন খাবারে ১ টেবিল চামচ ব্যবহার করুন বা এমনিতেও খেতে পারেন।

কখন মেয়েরা সেক্স কর‌তে চান না

নারীকে নি‌জের মতো করে পেতে হলে আগে তার মন জানা দরকার। রহস্যময়ীর মনে কী চলছে জানতে না পারলে তার মনমতো কিছুই করে উঠতে পারবেন না। অন্যদিকে রূপসী রেগে খাপ্পা। নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার আগে তার ভালোলাগা, মন্দলাগাগুলো যেমন জানা প্রয়োজন, তেমনই জানা প্রয়োজন তার যৌন ইচ্ছের কথা।
নারী কখন সেক্স চায় জানার পাশাপাশি কখন সেক্স চায় না, জানাটাও জরুরি। তাই নারীকে আরও ভালো করে জানতে চাইলে জানুন কোন কোন সময় সে সেক্স কর‌তে চায় না।

* সেক্স সম্প‌র্কে ভুল ধারণা থাকার কার‌ণেও অ‌নেক সময় অ‌নেক মে‌য়েই সহবাস কর‌তে চায় না। আবার ছে‌লে সঙ্গীর অস্বাভা‌বিক যৌন চা‌হিদার কার‌ণেও নারীরা সে‌ক্সের প্র‌তি আগ্রহ হা‌রি‌য়ে ফে‌লে। এছাড়া প‌রিপূর্ণ তৃ‌প্তি দি‌তে না পারলেও নারী আপনার চা‌হিদা‌কে বাই বাই জানা‌বে।
* আপনার উপর প্রচণ্ড চটে গেলে কিছুতেই তার কাছে আদর আশা করবেন না। স্বাভাবিকভাবেই তার যৌনক্ষুধা জাগবে না।
* প্রচণ্ড টাইট শেডিউলের মধ্যে ব্যস্ত হয়ে পড়লে সে সেক্স থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। সেই ব্যস্ততা হতে পারে অফিসের কাজ, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি, পারিবারিক অনুষ্ঠান কিংবা বাড়ির কাজ।
* এতদিন একপ্রকার বাধ্য হয়েই সেক্স করেছে আপনার সঙ্গে। কিন্তু মাঝেমধ্যেই সে পুরোপুরি বিষয়টি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। হতে পারে সে সেক্স করাটাই পছন্দ করে না। এমন অনেক নারী আছে, যাদের কাছে সেক্স তেমন ভালোলাগার জিনিস নয়। তার চেয়ে অনেকবেশি ঘেন্নার ও অপছন্দের জিনিস।
* সে ওয়েট মেশিনে মেপে দেখেছে কত কিলোগ্রাম ওজন বেড়েছে। ব্যাস, সেই কারণে আপনার স্ত্রী কিন্তু মনে করতে পারে সেক্সের জন্য সে সেই মুহূর্তে তৈরি নয়। আগে ওজন কমিয়ে ঝরঝরে শরীর হবে, তারপর… এই ভেবে সে সেক্স করা বন্ধ করে দিতে পারে।
* হয়তো সেক্স ব্যাপারটা এখন তার কাছে বোরিং হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনের অভ্যেস থেকে অনেকেরই এমনটা হয়। একই শরীর, একই পজ়িশনে দীর্ঘদিন একই কাজ করে করে সে ক্লান্ত। একটা বদল তার চাই। তাই সেক্সে বিরতি।
* সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কারণ হতে পারে, সে শরীরিকভাবে আপনার প্রতি আর কোনও টান অনুভব করছে না। সেখানেও কিন্তু বোর হওয়ার একটা প্রসঙ্গ এসে যায়।
আবার এটাও হতে পারে কেবল আপনার সঙ্গেই সেক্স করা বন্ধ করেছে। কিন্তু অন্য কারও সা‌থে ঠিকই সে‌ক্সের মজা নেয়।

সুন্দর স্তনের জন্য পারফেক্ট ব্রা

নারী সৌন্দর্যের অনেকটাই নির্ভর করে তার সু‌ডৌল স্তন যুগ‌লের ওপর। তাই স্তনের গড়ন নিয়ে কমবেশি সব মেয়েরাই চিন্তিত থাকে। কারও পছন্দ বড় স্তন; তো কেউ স্তনের বড় আকার নিয়ে মহা ঝাঁমেলায়। তবে পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে স্তন সুন্দর দেখানোর উপায় কী? এই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে আপনার অন্তর্বাস। কারণ সঠিক আন্তর্বাসই পারে আপনার স্তন সুন্দর রাখ‌তে বা দেখাতে।
ভারতীয় উপমহা‌দে‌শের মহিলারা বেশিরভাগই অন্তর্বাস নিয়ে খুব একটা সচেতন নন। আর স্তনের আকারের সমস্যা দেখা দেয় সেই কারণেই। তাই জেনে নিন, স্তন সুন্দর দেখাতে কোন ব্রা আপনার জন্য পারফেক্ট।
সাধারণত রোজকার লাইফে মহিলাদের পাঁচরকমের ব্রা ব্যবহার করতে দেখা যায়। টি শার্ট ব্রা, ফুল কাপ ব্রা, ওয়্যার্ড সাপোর্ট ব্রা, প্লাঞ্জ ব্রা এবং বালকোনেট ব্রা।
কী করে বুঝবেন আপনার স্তনের জন্য কোন ধরনের ব্রা পরা দরকার?
টি শার্ট ব্রা
যাদের স্তন আকারে বড় তাদের জন্য পারফেক্ট টি শার্ট ব্রা। সিমলেস হওয়ায় অনেকেই মনে করেন এই ব্রা স্তন ঠিকভাবে ধরে রাখতে পারবে না। এটা ভুল ধারণা। সিমলেস হওয়ার জন্য এই ব্রা যাদের ভারী স্তন রয়েছে তাদের পক্ষে খুব আরামদায়ক।
ফুল-কাপ ব্রা
যাদের স্তন একটু ছড়ানো তাদের ফুল-কাপ ব্রা ব্যবহার করা উচিত। এই ব্রা গোটা স্তনকে কাপের মতো ধরে রাখে। ঝুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
ওয়্যার্ড ব্রা
অনেক স্তন এমন আকারের হয় যে সাধারণ ব্রা পড়লে তা সঠিক শেপে থাকে না। এদিক-ওদিক কিছুটা ছড়িয়ে পড়ে। তাদের জন্য সুবিধাজনক ওয়্যার্ড ব্রা। এই ব্রা'‌তে থাকে রেজ়িন, প্লাস্টিক বা মেটালের ওয়্যার। যা স্তন সঠিকভাবে ধরে রাখে। দামি পোশাক পরার জন্য স্তনের আকার নিয়ে চিন্তা থাকে না।
প্লাঞ্জ ব্রা
লেট লাইট পার্টি। পরতে চাইছেন ডিপ নেক ড্রেস। কিন্তু স্তন ঝুলে যাওয়ায় ক্লিভেজ দেখতে খারাপ লাগে। এমন স্তনেও সুন্দর ক্লিভেজ দেখানো সম্ভব। এজন্য পরতে হবে প্লাঞ্জ ব্রা। এই ব্রা স্তন পুশ আপ করে এবং V শেপ দেয়। ফলে ডিপ নেক ড্রেসের সঙ্গে দেখতে ভালো লাগে আপনার ক্লিভেজ।
ব্যালকোনেট ব্রা
এই ব্রা অনেকটা ব্যালকোনির মতো। যাদের স্তন ছোটো তাদের জন্য এটা পারফেক্ট। লো কাট হওয়ায় এবং স্ট্র্যাপ মোটা হওয়ায় স্তন আকারে বড় দেখায়।

নীল ছ‌বি দেখায় রেকর্ড গড়ল ভারতীয় নারীরা

পর্ন দেখায় বিশ্বের মধ্যে ভারত চতুর্থ। ভারতে পর্নহাব-দর্শকের অধিকাংশই নারী। তাদের সবচেয়ে প্রিয় লেসবিয়ান পর্ন।

পর্নহাব-এর একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, পর্ন দেখায় বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ ভারত। ভারতে পর্নহাব-দর্শকদের অধিকাংশই মহিলা। পর্ন দেখায় বিশ্বের মহিলাদের সংখ্যার চেয়ে তা অনেক বেশি। ভারতীয় মহিলাদের সবচেয়ে প্রিয় লেসবিয়ান পর্ন। ভারতীয় দর্শকরা পর্নহাবে সবচেয়ে বেশি সানি লিওনকে সার্চ করেন। এ ছাড়া ভারতীয় গৃহবধূ ও ভারতীয় অভিনেত্রীদের সার্চ করা হয়।

‘কামসূত্র ছবিটি সার্চ তালিকায় ৭৬ নম্বরে রয়েছে। গুগলে পর্ন সার্চ দেয়ার বিচারে বিশ্বের প্রথম দশটি শহরের মধ্যে ছয়টি শহর ভারতের। তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে নয়াদিল্লি। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে পুনে, মুম্বাই এবং হাওড়া। অর্থাৎ কলকাতা পাশের জেলাটিও প্রথম পাঁচের মধ্যে রয়েছে। পাঁচ নম্বরে রয়েছে উত্তর প্রদেশের উন্নাও, ছয়ে কুয়ালালামপুর এবং সাতে বেঙ্গালুরু।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে- পর্ন আসক্তি মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।

নীল ছ‌বির (Blue Film) যে সত্যগুলো অজানা

পর্ণ বা নীল ছবির ইন্ডাস্ট্রি যে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সেটা বি‌ভিন্ন তথ্যই প্রমাণ করে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটা বৃহৎ অংশ সুযোগ পেলেই পর্ণ সাইটে ঢু মারেন! তা নানা গবেষণায়ই উঠে এসেছে। মানুষ নীল ছবির হাতছানিতে মাঝেমাঝেই ধরা দেয়, কিন্তু পর্দার ওপারে ঠিক কী ঘটে? এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রির কিছু কঠিন সত্য কখনই সামনে আসে না। আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো পর্ন ছবির সেই সব কঠিন সত্য সম্পর্কে বিস্তারিত; যা কখনই সামনে আসে না, থাকে ক্যামেরার পেছনে অন্তরা‌লে-

১। নীল ছবিতে যেসব উত্তেজক মুহূর্ত বা সেক্স দৃশ্য দেখানো হয়, তার ৯০ শতাংশই নকল যা বাস্তবতা থে‌কে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেবলমাত্র দর্শকদের আকৃষ্ট ও মনোরঞ্জনের জন্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের এরকম অস্বাভা‌বিক অভিনয় করতে হয়। মনে রাখা প্রয়োজন, পর্নও একটি সিনেমা। এবং এতেও সব ধর‌ণের অভিনয়ই হয়ে থাকে।

২। বলা বাহুল্য, পর্ণ ইন্ডাস্ট্রিতে যারা আসেন, তারা জেনে বুঝেই আসেন। এখানকার স্টারডম একেবারেই সাধারণ ছবির জগতের মতো নয়। সে‌ক্সের অস্বাভা‌বিকতার জন্য খুব বেশিদিন কোন অ‌ভি‌নেতা-অ‌ভি‌নেত্রী পর্নে অভিনয় করেছেন, এমন উদাহরণ খুবই কম।

৩। অন্যান্য সিনেমার মতো পর্ন ছবির শ্যুটিংয়ে বিপুল সংখ্যক টিম মেম্বার থাকে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেটে অভিনেতা-অভিনেত্রী ছাড়া চিত্রগ্রাহক, পরিচালক এবং একজন সাউন্ড রেকর্ডিস্টই শুধু থাকেন। তবে ইতালি বা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলিতে পর্ন একটা রীতিমতো ইন্ডাস্ট্রি।

৪। পর্ন তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন খুবই স্বাভাবিক। রন জেরেমি, ম্যাগডালেন সেন্ট মাইকেল বা জুলিয়া অ্যানতো রীতিমতে সম্মানিত। কিন্তু এই জায়গায় পৌঁছতে ভয়াবহ স্ট্রাগল করতে হয়। অনেকেই হারিয়ে যান অন্ধকারে।

৫। বড় প্রোডাকশন হলে সেক্ষেত্রে পর্ন ছবির সেট আলাদাভাবে প্রস্তুত করা হয়। তবে তৃতীয় বিশ্বের বেশিরভাগ পর্নের শ্যুটিং সস্তা হোটেলে বা বাড়িতে করা হয়। তবে মারিও স্যালিয়ারির মতো বিশ্বখ্যাত পর্ন পরিচালক সুবিশাল টিম ও সেটআপ নিয়ে কাজ করেন।

৬। পর্নতারকারা ইদানীং যা পারিশ্রমিক পান, তা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেন না। বহুক্ষেত্রেই প্রযোজনা সংস্থা বা পরিচালকের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। আশি বা নব্বইয়ের দশকেও এই সমস্যাটা ছিল না।

৭। একদশক আগেও এই ব্যবসায়ে যা লাভ হত, ইদানীং তা আর হয় না। এর জন্য অধিকাংশ ফ্রি পর্নসাইটকেই দায়ী করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে তৃতীয় বিশ্ব থেকে ক্রমাগত এমএমএস আপলোড পর্ন ইন্ডাস্ট্রিকে বিপুল বিপদে ফেলেছে।